Friday, August 16, 2013

পাগলী মেয়ের উপাখ্যান!

পাগলী, তোমার সঙ্গে ভয়াবহ জীবন কাটাব
পাগলী, তোমার সঙ্গে ধুলো... নাহ্‌ জয় গোস্বামীর নয়... তার বদলে নিজেই কবিতা লিখব... এই যে...

পাগলী মেয়ের উপাখ্যান!

গিন্নি আমার ছোট্ট মেয়ে, মনটা বড়ই মিষ্টি,
মুখে যতই গরম কথা কিন্তু গভীর দৃষ্টি।
হুট্‌ করে গরম হয়ে করে ফেলেন রাগ,
ফারহানকে আওয়াজ দিলেন, দেখে ‘ভাগ মিলখা ভাগ’!
“চূন থেকে পান খসলেই” তিনি যে যান খেপে
কাউকে যদি ঝাড়তে হবে শুনিয়ে দেন মেপে।
আমার সঙ্গে ঝগড়া হলে ভালোই লাগে তাঁর,
ডিমের ডালনা রাঁধতে খোলেন পাঁচফোড়নের জার!
গলার আওয়াজ নরম ভীষণ, শুনলে লাগে খুকি,
Chance পেলেই আবদার, “আমি একটু ফুঁকি?”
যখন তখন ছড়িয়ে ফেলেন ইচ্ছে মতন Sitter,
আবার বলেন, “হাসছ কেন? আমি কি একটা জোকার?”
Facebook-এ হেভি Famous, Whatsapp এও Busy
সারা রাত আড্ডা মারেন, ভাট বকা তো  easy!
ফুটবলেতে ইস্ট বেঙ্গল, আমার সঙ্গে যুদ্ধ,
মেটানো সেটা সহজ নয়, আসুক গান্ধী কিংবা বুদ্ধ!
সবাই ভাবে, পাগলী শুধু রাহুল দ্রাভিদ ভক্ত,
ভুল জান হে, ক্রিকেট বোঝেন, ওটাই ওঁর শখ্‌ তো
অর্কুট তো উঠেই গেছে, একটাই ভালো কাজ
আমার সাথে আলাপ হল, সে কি আর আজ!
তারপর, ডিসেম্বরের একুশ তারিখ, করুণাময়ী মোড়,
আমায়ে দেখে লাফিয়ে বলেন, “Height কত তোর?”
কলেজ স্ট্রিটে হোঁচট খান, মানি স্কোয়ারে ধপাস!
আজকে থেকে বিয়ের ঠিক রইল বাকি ছ মাস!
লিখতে পারি মহাভারত, তবু, থামছি আমি এবার, ২৫ লাইন পদ্য হল, এক  line per year!!

Thursday, August 15, 2013

স্বাধীনতা দিবস

সকালে ঘুম থেকে উঠেই মনটা ভালো হয়ে গেল। আজকে স্বাধীনতা দিবস। ছুটির দিন। কাল সকালেই ফেসবুকের কভার ফোটোর যায়গায় একটা দারুণ তিরঙ্গা দেওয়া দেশাত্মবোধক ছবি গুগল থেকে খুঁজে লাগিয়েছি। অনেকগুলো ‘লাইক’ও পড়েছে। সঙ্গে প্রোফাইল পিকের যায়গায় আমার প্রিয় বিপ্লবী ভগৎ সিং এর ছবি।
আরো অনেকেই দেখলাম এরকম লাগিয়েছে আর রাত বারোটা বাজার সঙ্গে সঙ্গেই তো চারদিকে সবাই দেশাত্মবোধক স্ট্যাট্যাস দিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল। আমিও লিখে দিলাম, ‘Wishing everyone a happy 67th Independence Day! Proud to be an Indian!! Jay Hind!!!!!!!!!!!!!!!!!!!’

তখনই বেশ কয়েকটা ‘লাইক’ পড়ে গেছিল, এখন লগ-ইন করে দেখলাম মোট ১৭টা ‘লাইক’! বাঃ বাঃ!

যাকগে আজকে আর বাড়িতে খাওয়ার ইচ্ছে নেই। ব্যাঙ্গালোরে এমনিতেই রোজ নিজে রান্না করে খেতে হয়, আজকে ঠিক করলাম চা-টা অবধি নিজের হাতে বানাবো না। দাঁত মেজে পাড়ার মোড়ের বেকারিতে গিয়ে চা আর কেক অর্ডার দিলাম। ৮-১০ বছরের ছেলেটা, ভেঙ্কটেশ না নাগার্জুনা কি একটা যেন নাম, আমি তো ‘ছটু’ বলেই ডাকি, এসে চা এর গ্লাস দিয়ে গেল।
নাহ্‌ চা টা সত্যিই ভালো হয়েছিল, বেশ নিজের মনে জম্পেশ করে চা আর কেক খাচ্ছিলাম। খেতে খেতে দেখছিলাম ছটু এদিক ওদিকে ঘুরে ঘুরে চা দিচ্ছে, কুচকুচে কালো গায়ের রঙ, নোংরা সাদা গেঞ্জি, হাফ প্যান্ট, মাথায় কতদিন তেল পড়েনি তার ঠিক নেই। মাঝখানে আবার দৌড়ে গিয়ে পাশের গ্যারাজে চার কাপ চা দিয়ে এল। দেখে বেশ খারাপ লাগলো, শিশু শ্রমিক ব্যাপারটা দেশ থেকে তুলে দেওয়া উচিৎ। চা শেষ হয়ে গেল তো ছটুকে ডেকে কাপটা আর পয়সা দিয়ে বাড়ি চলে এলাম।

বাড়ি ফিরে স্নান-টান করে বেশ সেজে গুজে জিন্স আর পাঞ্জাবী পড়ে বেরোলাম। ফেসবুক ততক্ষণে পুরো গেরুয়া-সাদা-সবুজ ছবিতে ভর্তি হয়ে গেছে!

বাড়ি থেকে সোজা ব্রিগেড রোড চলে এলাম। এখানটা এলেই আমার বেশ কলকাতার নিউ মার্কেট চত্বরের কথা মনে পড়ে যায়। ঐরকম পর পর অনেক দোকান আর প্রচুর মানুষের ভিড়। আর আজকে ১৫ই আগস্ট বলে তো ভিড় আরো বেশি। চারদিকে প্রচুর মামণি রংবেরঙের জামা-কাপড় পরে ঘুরছে। কেউ বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে কেউ বা একা বা নিজের বান্ধবীদের সঙ্গে। অনেকের হাতেই ছোট ছোট প্লাস্টিকের জাতীয় পতাকা, দু-একজন তো দেখলাম বেশ বড় কাপড়ের পতাকা নিয়েও এসেছে!
আমি একাই, সঙ্গে আসার মত কেউই তেমন নেই, মনের আনন্দে ঝাড়ি মারতে লাগলাম। এই রকমই চার সুন্দরীর একটি দলের পেছনে পেছনে একটা রেস্টুরেন্ট ঢুকে খেয়েও নিলাম। মেয়েদের পিছু নিয়েছি শুনে নাক কুঁচকবেন না। শুধু তো পেছন পেছন গেছি আর ওদের ছোট টপ, লো কাট জিন্স আর হট প্যান্টের জন্য একটু ঝাড়ি মেরেছি, আর তো কিছুই করিনি রে বাবা।

খেয়ে দেয়ে বেরিয়ে ভাবছি কি করা যায়, হঠাৎ একটা ভিখিরি বাচ্চা এসে পয়সা চাইতে লাগল। দিলাম তেড়ে ধমক, যতসব ভুলভাল ব্যাপার, পয়সা দিই আর তারপর সেই পয়সা দিয়ে নেশা করে মরুক! এইজন্যেই দেশের কিচ্ছু হচ্ছে না!
কালকে থেকেই সিনেমা দেখার ইচ্ছে ছিল কিন্তু কালকে অনলাইন বুকিং করতে গিয়ে দেখেছি বেশিরভাগ মাল্টিপ্লেক্সেই সব টিকিট শেষ। হঠাৎ খেয়াল হল এখানে একটা আগেকার দিনের সিঙ্গল থিয়েটার সিনেমা হল আছে। সেখানেও গিয়ে দেখি গুচ্ছ ভিড়, ১০০ টাকা, ১৫০ টাকা সব জায়গাতেই হাউসফুল বোর্ড ঝুলছে। মন খারাপ করে ফিরে আসছি হঠাৎ দেখি একটা লোক ভিড়ের মধ্যে এদিকওদিক তাকাচ্ছে আর প্রায় ফিসফিস করে বলছে “শ কে দোশো... শ কে দোশো”
ওহ, ব্ল্যাক করছে বাবু! বললাম, “আচ্ছা সিট মিলেগা?”
“জরুর!” বলে টিকিট বের করে দেখিয়ে দিল, পেছন থেকে চার নম্বর রো-এর টিকিট। কি আর করি, লোকটার কাছ থেকে টিকিট নিয়ে নিলাম দুশো টাকা দিয়ে, একটু দরদামের চেষ্টা করলাম, লোকটা খুব একটা পাত্তা দিল না, অনেক ডিমান্ড! সে যাকগে, ভগবানের দয়ায় মাস গেলে মন্দ তো আসে না ব্যাঙ্কে।

সিনেমা শেষ হওয়ার পর যখন বেরোলাম তখন সন্ধ্যে হয়ে গেছে, ব্রিগেড রোডের দোকানগুলোতে সব আলো জ্বলে উঠছে। উদ্দ্যেশ্যহীন ভাবে এদিক-ওদিক ঘুরছিলাম হঠাৎ একটা গন্ডগোল শুনে দেখি একটা বাইকের ওপর দুটো ছেলেকে পুলিশ ধরেছে। মজা দেখার জন্য কাছাকাছি গিয়ে দাঁড়ালাম। ছেলে দুটো একেবারেই নিরীহ, ভিড়ভাট্টার মধ্যে ভুল করে ‘নো এন্ট্রি’ তে ঢুকে পড়েছে, আর ব্যাস! ধরেছে পুলিশ। আরো বুঝলাম ছেলে দুটো কন্নড় জানে না, হিন্দিতে বোঝাবার চেষ্টা করছে, আর পুলিশটাও সেরকম, হাবভাব করছে যেন হিন্দি জানেই না, যা বলার কন্নড়েই বলতে হবে। নিজে কন্নড়ে প্রচন্ড হম্বিতম্বি করছে ছেলেগুলোকে ভয় দেখানোর জন্য। ওরা যত বোঝাতে যায় পুলিশটা ততই “নো হিন্দি... নো হিন্দি” বলে যাচ্ছে।
আমার ৭ বছর হয়ে গেল এখানে, কন্নড় মোটামুটি কাজ চালানোর মত বলতে আর বুঝতে পারি। প্রথমে ভাবলাম ছেলেগুলোকে হেল্প করি, তারপর ভাবলাম, ‘কি দরকার বাঁড়া পুলিশকে ঘাঁটিয়ে কখন কেস দিয়ে দেবে ব্যাম্বু হয়ে যাবে!’ কেটে পড়লাম ওখান থেকে। ছেলেগুলো তখন পকেট থেকে পার্স বের করেছে আরো ঘোর বাইক নিয়ে!

সারা সন্ধ্যে ওখানেই ঘুরলাম, লোকজনের কি অবস্থা, ভিড়ে-ভিড়াক্কার, গুঁতোগুঁতি করে সবাই ঘুরছে। হঠাৎ দেখলাম রাস্তার ধারে একটা জাতীয় পতাকা পড়ে আছে। বোধ হয় কেউ এনেছিল তারপর ফেলে দিয়ে চলে গেছে। লোকজনও সেরকম, ওটাকেই মাড়িয়ে চলে যাচ্ছে। কাদা-ফাদা লেগে কি অবস্থা ওটার! তুলে নিলে হত, কিন্তু ঐ নোংরা পতাকাটা হাতে নিয়ে কোথায় ঘুরব! কাটিয়ে দিলাম! অনেক লোক আছে, কেউ না কেউ তুলে নেবে। অত ভেবে লাভ নেই!

তারপর একটা পিৎজা দিয়ে ডিনার করে অটো ধরলাম বাড়ি ফেরার জন্য। বাড়ির কাছে এসে কি মনে হল, দুটো স্টপ আগেই অটো থেকে নেমে পড়লাম। সবে দশটা বাজে, হাঁটতে ইচ্ছে করছিল।
ভালোই করেছি দেখলাম, সামনে দিয়ে দুটো হেভি হট মেয়ে হেঁটে যাচ্ছে। একজন পড়েছে টাইট জিন্স আর টপ, অন্যজন পড়েছে একটা ছোট্ট ড্রেস। ভালোই! আমি পেছন পেছন বেশ কিছুটা দূরত্ব রেখে হাঁটছিলাম। হঠাৎ একটু ফাঁকা জায়গায় তিনটে ছেলে একটা বাইকে চড়ে মেয়েগুলোর পাশে গিয়ে ‘বাত্তমিজ দিল’ গাইতে লাগল, নেশা-ফেশা করেছে বোধ হয়। হঠাৎ একটা ছেলে জড়ানো গলায় বলে উঠল, “আজ রাত কা রেট কিতনা হ্যায় জানেমন্‌!” বলে তিনজন মিলে খ্যা-খ্যা করে হাসতে হাসতে চলে গেল বাইক চালিয়ে।
মেয়েদুটো বোধহয় ভাবতেও পারেনি এটা হবে। দুজনে দাঁড়িয়ে পড়ল। একজন পেছন ফিরে তাকালো। আমি অবশ্য টুক করে চোখ সরিয়ে নিয়েছি, কি দরকার বাবা চোখাচোখি হয়ে। যাক, ওরা আবার নিজেরাই হাঁটতে শুরু করেছে। আমি মাথা নিচু করে হনহনিয়ে মেয়েগুলোকে টপকে আগে চলে গেলাম।

বাড়ী ঢুকছি, একটা মেসেজ এল, অফিসের এক সহকর্মী, ‘Dude, whats wrng with ur FB?’

কি হল আবার! ফেসবুক খুললাম, হোমপেজ তো ঠিকই আছে, কি মনে হল আমার প্রোফাইল পেজে গেলাম। আমার গেরুয়া-সাদা-সবুজ কভার পিকটা কই? এটা কিসের ছবি? ইসস্‌ এটা কোন নরককুণ্ডের ছবি! একটা নর্দমা, পাশেই মানুষ আর কুকুরের বিষ্ঠা পড়ে আছে, বমি, আরো কিসব ময়লা, ছবিটা দেখেই গা ঘিনঘিন করে উঠল। আর ভগৎ সিং এর ছবিটা কই, তার বদলে আমারই একটা ছবিকে প্রোফাইল পিক বানালো কে???

Thursday, August 1, 2013

Formula for Indian TV Advertisements

I was planning to write a blog on the amazing world of Indian TV advertisement for a long time. I find it fascinating because of the sheer brilliance of some of the ads as well as the utter dumbness of many!  Before I start let me accept that some of the ideas in this post are taken from few Facebook shared posts which I have seen in recent times. Obviously I have added a few and give some more details of some of those ads mentioned in that post.
In last 30 odd years the Indian TV ads have moved a long way from ‘Hamara Bajaj’ to ‘Ohh Yes! Abhi!’  through ‘Shuddh Dhara’, ‘Nothing Official about it’ and ‘Vodafone Zoozoos’. Here I would like to point out some of the advertising clichés used by these ad-makers to sell a particular type of product!

The Womanizer
If you go through some of the recent ads for body spray for men you would feel that the only way a girl can be impressed is by the heavenly aroma coming out from different parts of male human body. They don’t bother about the bank balance, intelligence or good looks! The only thing they care for is the smell of his body which is enough for them to turn on and get wet! The trend which started with Axe is now copied shamelessly by everyone and hence almost all the body spray ads show skimpy clad women throwing themselves on guys who are using some particular brand of body spray. And apparently some of the guys like Ranbir Kapoor knows it and roams around with a counter to count number of girls he could impress with the fragrance of his body! The Faking News people had caught this as early as 2009 and had a hilarious piece on this topic!
Confusion on State of Matter
This is another body spray ads stereotype people use where they try to convince you that the deodorants you were using till now had nothing but some kind of gas sans any liquid content and hence you are not getting true value of money which only there new body spray will give you.

The Jumping Jacks
So you are a millionaire film star, you earn 100 crores while acting in master classes like ‘Kambakkht Ishq’ or ‘Ek Tha Tiger’ but when it comes to get your soft drinks you are always out of stock and needs to jump out of your window from the twentieth floor or run above a train or slide through a moving truck. I never fathom why they don’t just buy one from the road side pan-shop near the corner. But they know better and hence Can make a ‘Journey to the Centre of the Earth’ to get their bottle of Cola!
The other variation is the dare devil ones who just need a sip of their soft drink to turn into superman and perform extra ordinary stunts like making Fardeen Khan act (Okay… that’s not possible even by Sir Jadeja) jumping to the Ocean from a cliff!!

The Circus
You are a young student who wants a mode of communication to go to college and tuition and also to impress a few girls in your college. You hope that your dad will buy you a motorbike and you want to convince him by showing some motorbike TV ads. But let me tell you guys, do not make this mistake! I can assure you that if you show him a single TV ad for bikes he would never buy you one. Why? Because in each of these TV ads the bikers are not human, they are some super stuntmen coming from Mars who only ride their bike in uneven mountain roads and can perform almost every single trick which can be performed by the man who rides his motorcycle through fire in the circus. It is almost like the first thing you are going to do is to ride your bike with the front wheel on the air or jump to river or drive through a jungle.

The Jack of All trades
Now days everyone has a mobile phone, some of us has more than one. With the growing importance of mobile phone the ads have increased and now at this phase of mobile phone evolution all these ads focus on apps and other advantages! Hence in most of the mobile phone ads all they talk about are camera specifications, alarm ringtones, and applications, in short apps. Random apps like news paper application, Geeta Path application, How to Copy in Exam application, how to flirt with girls application and what not! The mobile phone ads now days do not talk about simple things like talking and texting, they all are presented as the greatest device human kind have put their hand on to. A device which could have turned Ravana to compete for Nobel Peace Prize with Mother Teresa!

Offers and Plans
Along with the handsets even the mobile service providers also have some typical ads. Vodafone generally comes up with decent ads but if you think about their main competitor well they are a treat. From the ads showing idiotic friendship clichés to the ads of taxi driver showing Karina Kapoor videos in exchange of change, they reach new low of nonsense ads with their every new offer. The last one specially has created quite a few jokes in Facebook including Arsene Wenger offering to show the Kareena Video along with 40 million Euros in order to make his bid 40 million plus which was the minimum bidding price!!

The Common Man
Ohh… this one is the most interesting one for me. Here I am talking about ads for Banks, Insurance Company or other financial organizations. Now, by nature Indians are a little sceptic about any private financial organizations and generally are not big risk takers. Hence the people from our previous generation have accounts mostly in SBI or other government banks and have policies with LIC.
All the private banks and Insurance companies captured that pretty early and hence decide to target the higher income population group at the beginning. But they had to focus on the huge Indian middle class population and hence all of them started designing ads targeting the middle class. And what best to show which can attract the common man? To them the answer to that question was common man. Hence in almost all the ads for these private financial companies you will see common men, men and women like you and me using their services and making best of it. This is a simple example for advertising clichés targeting a vast customer base!

Racism – Very Bad, Whitening Cream - Very Good
As Indians we all remember the stories of racism faced by Mahatma Gandhi in South Africa. We also show our displeasure and hatred towards racism whenever any stories of racism come from any part of the world.
But back home we the biggest hypocrites when it comes to women and men’s face cream. 90% of these cream advertisement talks about the glowing fairness it is going to give to your skin and how by applying their cream for 2 weeks you would turn into a Stuart Broad from your earlier avatar of Vinod Kambli! 

The Toppers
This is a very specific ads which I have only seen in Bengali TV channels and not much in national television. The ads about tuition centres and academic guidebooks!
The Bengalis are generally very studious group of people who let their five year olds carry bags of more than their own weight to school. They are also sent to various coaching centres and to tutions from their middle school to be prepared for the great 10th Standard examination which is followed by HS, Joint entrance, IIT entrance etc.
Hence, there are quite a few coaching centres that are making good money by enrolling hundreds of students for their private classes. And the best way for them to attract the parents of potential enrolments are nothing but give example of previous year’s toppers. So, even if the Topper of those examinations stays in the villages of Purulia or in the hills of Darjiling he shows his face and recites how these coaching centres in Kolkata have helped him to achieve his grand success!
The other one is this famous publications house of textbooks and guidebooks who sales their product like the way a newlywed Indian girl has to take pictures in her reception- with every random person present! So either you are a retired sportsman, aged poet, budding film star or celebrity for no apparent reason, you can come to their ad, praise their textbooks and feel sad for not having those books in your school days like in the following picture!
From Facebook


A Few Good Men
After talking about all these advertising clichés let me write about one series of ads which I truly like. These are the ads for Imperial Blue for their ‘Men will be Men’ series. Even those ads are also very typical but they are presented in such a witty manner that I find then quite amusing. The one which is my favourite is the one where I guys goes to a jewellery shop to buy a diamond ring for his anniversary. The salesman found it quite comical that the guy is looking for costly rings for his tenth anniversary till it was revealed that the anniversary was on previous day which he happily forgot!! You can see the ad from 1:51 in the following video. The ads shown before and after that one are also quite funny and cheer my mood any time.



The television advertisements are source of entertainment from a long time and what I found is that the quality of TV ads does not vary significantly from country to country. In fact in my opinion the ads I had seen in abroad are pretty much similar to Indian ads if not of inferior class.

Before I finish, let me tell you that this is my list but dear reader you are welcome and encouraged to add more such advertising clichés from Indian television.