Tuesday, July 30, 2013

Bhag Milkha Bhag – A Sports lover’s Take

Let me start with the standard disclaimer which I always prefer to mention while discussing movies. I am not a student of cinema. I am neither a person with great knowledge nor skills to understand each and every aspect of any cinema like some of my friends do. I am just a viewer and I go to a theatre to be entertained. Now obviously there are various forms of entertainment from different movies. Something like ‘Go Goa Gone’ can provide you laughter and corny on- liners for entertainment, where as ‘Shawshank Redemption’ or ‘The Dark Knight’ would provide entertainment through a well designed, thrilling story line.
In the same way ‘Bhag Milkha Bhag’ entertained me with its storyline which is very much dominated with sports, athletics to be precise and the wonderful narration style which kept moving back and forward to show the glimpses of Milkha’s childhood, training phase and success phase pretty much at the same time effortlessly.

Now during my childhood, the two things closest to my heart were books and sports and hence when both of those got combined to give me books about sports I was doubly interested to read them and remember them. Like many Indians during 90s cricket was and still is my most favourite sports but I also read about sports like Football and Tennis and also about past Indian greats like Dhyan Chand, Ramanathan Krishnan and C. K. Nayudu.
I do not remember when I first heard of Milkha Singh. But it was pretty early. My guess is that it was some random quiz book or GK book in school which mentioned him as the ‘Flying Shikh’! Later I got more details about him and about his 4th position in 1960 Olympics from one of those Bengali encyclopaedia types books (“Chhotoder Bishwakosh”) when I was around ten. But even that version lacked much details and written very briefly for children and only mentioned that he was the favourite to win that race and could not. Then I read about him later. Saw news paper articles. Know that his son Jeev is one of the leading golfers in India. I liked Milkha in a sense that in most of the articles about him he comes up as a person with strong point of view and who generally speaks his mind. I was also vaguely aware of his roots and his struggle during the partition of 1947.
So, with this much knowledge about Milkha Singh and based on the general positive reviews about the movie, Shreyasi and me decided to watch the movie in Inox in City centre. We went in the 3rd Sunday after its release and the movie hall was full which told me the people have interest in this movie. But I was not sure whether that was for Milkha Singh, for Farhan Akhtar or for Rakesh Om Prakash Mehra, whose earlier directed movies were ‘Rang De basanti’ and ‘Delhi Six’.
Source: Wikipedia
First thing first, this movie is more than three hours in length and if you are not interested in sports or trivia beyond cricket or football then this is not the movie for you. Now was the movie perfect for his length? The answer is No. The length could be trimmed and it could be made into a slicker, sharper movie. But then again this is not a thriller from Roberto Rodriguez, this is a bio-pic of one of the greats of Indians sports who had a pretty long struggling phase in his life. With that in mind I guess I would give a grace and support the director. But like RDB and Delhi-6, there are portions in this movie which are brilliant and then there are sequences which were pretty forgettable.

I specifically liked the part with young Milkha. The narration including the partition conflict; the location (Puarana Quila) and the acting were top notch. Especially the kid Japtej Singh who acted as young Milkha was wonderfully matured with a most innocent smile on his face! The running in Milkha's life started in that phase and he kept running towards the success through his life.
Among others, I would like to mention Pawan Malhotra, Yograj Singh and Prakash Raj, the three trainers/coaches of Milkha and all three of them have given wonderful performances. It was Surreal to see Yograj acting as a very hard working stern coach who made Milkha practice with Stones tied with his legs, it reminded about the stories of how he did pretty much the same thing with his son Yuvraj to make him one of the finest limited over cricketers in the world.
Farhan as Milkha was very convincing. I guess this would be the best way to describe his performance. He is a good actor with a wonderful physique and looked every bit a sportsman in this movie. He also depicted the rural charm and sense of humour of Milkha along with the struggle and difficulty he had faced quite well throughout the movie and showed lots of heart in the emotional scenes. Also, there is a five minute sequence of Farhan Aka Milkha training topless in the rain which was good enough to bring any girl to her knees according to my girl!!
Sonam Kapoor had nothing much to do and I anyway do not like her much. It looked more like a guest appearance may be driven by her god relationship with the director. Divya Dutta was good as usual in her role of Milkha’s elder sister and given a strong performance.

Overall ‘Bhag Milkha Bhag’ is a good, inspiring movie which has highlighted the life long race of a legendary sportsman of India, the race which started for his survival from a massacre turned to a race for Milk and egg and finally to a race in the country where his family was brutally murdered.  As I have already said it is a movie which all the members of the family can enjoy given that they have some interest on sports.

Sunday, July 21, 2013

দুটি কথোপকথন

সামান্য হাসির খোঁজে নিজেকে নিয়ে মস্করা!! ছবিগুলো full screen করে দেখলে সবচেয়ে ভাল লাগবে! সবকটি ছবিই বানারঘাটা জাতীয় উদ্যানে আমার তোলা।























Sunday, July 7, 2013

মাচো মুভি অথবা মস্তানা মুভি! Yo!!!

সিনেমার সমালোচনা লেখা খুবই বীরত্বের কাজ। এই কাজ যাঁরা করে থাকেন তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা আমার বেড়ে গেছে এবং তাঁদের শ্রীচরণে আমার শত-সহস্র প্রণাম!
ভাবছেন যে, এতদিন পরে কেন এটা খেয়াল হল! আসলে গতকাল ইউটিউবে একটা সিনেমা দেখলাম। প্রথম ১৫ মিনিট দেখেই মনে হল যে, এই অসাধারণ সিনেমা নিয়ে ব্লগে পোস্ট না করলে পুরো জীবনটাই বৃথা। সুতরাং বসে পুরো ২ ঘন্টা ১১ মিনিটের সিনেমাটি দেখতে হয়েছে এবং তার পরেই আমার এই চরম উপলব্ধি!

সিনেমাটির নাম মাচো মস্তানা’, নায়ক হিরণ, নায়িকা পুজা। না না নাম শুনেই ঘাবড়াবেন না! মানে, ঘাবড়াতে পারেন তবে শেষ অবধি পৌঁছতে হলে আপাতত সামলে-সুমলে থাকুন।

সিনেমাটিতে হিরণ খুবই মাচো, সিক্স-প্যাক ছাড়িয়ে এইট-প্যাক বানিয়ে বসে আছে! সেই এইট-প্যাক আবার দাদা মানে সৌরভ গাঙ্গুলীর নিজস্ব জিমে গিয়ে বানানোমস্তানিও সে করেই থাকে, তবে সে যে মস্তানি করছে এটা যদি দর্শকরা বুঝতে না পারেন সেই ভয় পরিচালিকা (হুঁ হুঁ বাওয়া!!) মাঝে মধ্যেই ব্যাকগ্রাউন্ডে মাস্তানা... মাস্তানা...শব্দ ভেসে আসার ব্যবস্থা করেন। হিরণ হি-ম্যানের মত যখন-তখন যাকে তাকে ক্যালায়! শুধু ক্যালায় না ক্যালাবার মাঝখানে আবার নিজের বিদেশী বাইকের গুপ্ত তাক থেকে ফার্স্ট-এড বক্স বের করে গুণ্ডাদের শুশ্রূষা করে আবার ক্যালায়! গোটা সিনেমায় হিরণ কতজন কে কেলিয়েছে তার হিসেব নেই তবে তাঁর মধ্যে ল্যাকপ্যাকে আলুভাতে খাওয়া চেহারার বাঙ্গালী গুণ্ডা থেকে শুরু করে ড্যানি ট্রেহোর ম্যাসাটের জমজ ভাই গুণ্ডা কেউ বাদ যায় না! নিচের ছবিতে দেখে নিনঃ

মস্তানা মারে ম্যাসাটেকে!!
এছাড়া হিরণ বাড়িতে দাদা দেবদূত এবং দাদু বিভুবাবুর আদর খায়! সঙ্গে আছেন এক প্রচন্ড ভার্সেটাইল বৌদি যিনি কোন দৃশ্যে আদর্শ গৃহকর্মে নিপুণা ঘরোয়া সন্তানসম্ভবা লাজুক বউ-র ভূমিকায় অসাধারণ অভিনয় করেন আবার একই সঙ্গে একটি দৃশ্যে দেওরের প্রেমের কথা শুনেই লাফিয়ে উঠে সিটি মারেন (এত কষ্ট করে ভার্সেটাইল কি আর শুধু শুধু লিখেছি!)। ছোট বোন, যে নিজে বেশ ছোট এবং তার পোষাকগুলোও বেশ ছোট!
আর আছেন হিরণের বাবা! রজতবাবু প্রথমে কিছুক্ষণ হিরণের দায়িত্ববান বাবা হিসেবে গম্ভীর থাকেন এবং বাকি সময়টা গুন্ডাদের হাতে মার খেয়ে অথর্ব হয়ে থাকার অভিনয় করে যান!

হিরণ আরও যেটা করে সেটা হল পুলিশের হাতে মার খায়, অত্যাচারিত হয় আর পাগলের অভিনয় করে। সে খুবই জটিল ব্যাপার-সাপার! পুলিশ তাকে ঠিক কি করে ধরল সেটা বুঝিনি তারপর চিরকালীন সিনেমার মত তাকে জলে ভিজিয়ে মারধোর করা হয়। এই সিনেমায় আবার হিরণকে নগ্ন করেও রাখা হয় দীর্ঘ সময় (পরিচালিকাকে ধন্যবাদ পুরকিখেয়ে হিরণের ফ্রন্টাল বা ব্যাক ন্যুডিটি দেখানোর চেষ্টা করেননি!) আর তার পরেই সেই অসাধারণ দৃশ্য, ব্যাপারটা ভাবুন কেমন, পুলিশ হিরণকে নগ্ন করে রেখে অত্যাচার করছে। হিরণের বাবা আর বৌদি (মানে ততক্ষণে বাকিরা পটল তুলেছে কিনা!) এসেছে দেখা করতে। তারপরেই সেই মনে রাখার মত সংলাপ, “বাবার সামনে তাও ঠিক আছে, কিন্তু বৌদির সামনে তো তুই এই অবস্থায় দাঁড়াতে পারবি না! এই একে কিছু পড়ানোর ব্যবস্থা কর!!
কিন্তু এতেই কি মাচোর অপমানের শেষ! না!! পুলিশ একটা বস্তা জাতীয় কিছু দিল হিরণকে পড়বার জন্য আর তার আগে তার মধ্যে ছেড়ে দিল কিছু ডেঁয়ো পিঁপড়ে!! পরের দৃশ্য, হিরণের ক্রন্দনরতা বৌদি, হুইলচেয়ারে অথর্ব বাবা আর তাঁদের সামনে বস্তা সজ্জিত হিরণের ‘Ants in pants’ অভিব্যক্তি! উফ্‌... বলুন এর পরেও চোখের জল ধরে রাখতে পারে এমন পাষন্ড কেউ আছে দুনিয়ায়??

আরো অনেক কিছুই আছে এই সিনেমায়। অরুণ ব্যানার্জী, যিনি সমাজসেবীর মুখোসের আড়ালে একজন খলনায়ক যার ওপর ওনার নিজের ভাষায়, “আইএসআই থেকে পুরো ইস্টার্ন জোনের দায়িত্ব দেওয়া আছে!শান্তিলাল যিনি একজন উগ্রপন্থী নেতা যিনি সাপের মত জিভ বের করেন, মেদিনীপুর বা বাঁকুড়ার উচ্চারণে বাংলা বলেন, হিরণের বোনকে ধর্ষণ করেন এবং শেষে হিরণের কারসাজীতে ইলেকট্রিক শক খেয়ে মারা যান! দোলন রায়, যিনি হঠাৎ করে থানার মধ্যে ঢুকে পুলিশের ইলেকট্রিক শক্‌ দেওয়া বন্ধ করে দিয়ে ঘোষণা করেন, “আমি মানবাধিকার কমিশন থেকে এসেছি!

আর একটা ঘটনার কথা না বললে তো চলবেই না। তা হিরণ একটা দুষ্টু লোককে নানাভাবে ক্যাল-ট্যাল দিয়ে অরুণবাবুদের রাখা বোমার কথা জানতে পেরে পুলিশকে জানিয়ে দিয়েছে। তাই এখন আইএসআই কে খুশী করতে তাঁরা আবার বোমা রেখেছেন এক রক্তদান শিবিরে। সেই বোমার কথা আবার অরুনবাবু এবং পুলিশেরই ডিএসপি রাণা রায় (যার গোঁফটা দেখলে মনে হয় যে পরিচালিকা দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ভদ্রলোককে ঐ গোঁফটি দিয়ে!) একটি আইটেম নাম্বার দেখতে দেখতে খোলা আকাশের নীচে আলোচনা করছিলেন ঠিক সেই সময়ে যখন হিরণ একটি নীল আফগানি স্যুট, নীল পাজামা আর নীল পাগড়ি পরে তাঁদের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল, অনেকটা নিচের ভিডিওটির মতঃ




যাই হোক, পরের দিন ঠিক ১২টায় বোমা ফাটবে, প্ল্যান মত ডিএসপি সাড়ে এগারোটার সময় আর একজনও পুলিশ না নিয়ে রক্তদান শিবিরে ঘুরতে গেলেন। সেখানে আবার একটা বেডে শুয়ে ছিল হিরণ (কেন ঠিক জানি না!) এবং তার পর মুহূর্তেই ডিএসপি যখন তাঁর নিজের গাড়িতে ফিরে গেলেন ততক্ষণে তার মধ্যে ঢুকে বসে আছে... কে আবার? হিরণ!
তারপর ডিএসপি কে জানানো যে ঐ বোমা তাঁর নিজের গাড়ির ইঞ্জিনেই লাগানো আছে এবং তারপর তাঁকে গাড়িতেই বন্দী রেখে তাঁকে শুদ্ধু গাড়ি উড়িয়ে দেওয়া যে হিরণের বাঁ হাতের কাজ সেটা তো বুঝতেই পারছেন।

সিনেমায় পূজাও আছেপূজা মানে পূজা বোস, বেশ কিছু হিন্দি সিরিয়াল করার পর এটাই ছিল ওর প্রথম বাংলা সিনেমা, এর পরে পূজা চ্যালেঞ্জ-২ এবং রকির মত কালজয়ী সিনেমাতেও কাজ করেছে।
পূজার প্রথম দৃশ্যে পুজা শার্ট-প্যান্ট-টুপি পরে নকল গোঁফ লাগিয়ে বাড়ি থেকে পালাচ্ছে। তারপরেই হিরণের বিদেশী বাইকের সঙ্গে বিশাল ধাক্কা! যদিও ধাক্কা লাগার পর পূজার নাকের নিচের নকল গোঁফটা একটু আলগা হয়ে যাওয়া আর তার মৃত মায়ের দেওয়া লকেট পরে যাওয়া ছাড়া আর কিছুই হয় না। আর তারপরেই ঐ লকেট ফেরত দিতে গিয়ে চলন্ত বাস এবং লরিতে হিরণের সামান্য গুন্ডা-ধোলাই এবং তারপর বাস থেকে পরে গিয়ে দুজনে মিলে জঙ্গলে হন্টন এবং রাত কাটানো।
আইআইটিতে পড়ার সময় আমার চেনা একটি ছেলে একবার আমাকে বলেছিল যে, সে দুর্গা পুজোর ছুটিতে বাড়ি থেকে স্নান করে আসে আর তার পরে আবার স্নান করে ডিসেম্বর মাসে বাড়ি গিয়ে! কিন্তু সিনেমার নায়ক-নায়িকাদের কাছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা খুবই জরুরী তাই জঙ্গলে ঘুরতে ঘুরতেও স্নান না করলে তাদের চলে না। সুতরাং সেই চিরকালীন দৃশ্য, হিরণকে চোখ বন্ধ করিয়ে গাছের পেছনে রেখে, সে যেন পূজাকে না দেখে এইসব প্রমিস করিয়ে পূজা একটা সাদা জামা পরে স্নান করে এল। তারপর দেখা গেল পূজা ঐ সাদা জামা এবং জিন্স খুলে একটা কালো স্লিভলেস গেঞ্জি আর হাফ প্যান্ট পরে হিরণের সঙ্গে ঘুরছে। তাই তার স্নান করা দেখলে ঠিক কি মহাভারত অশুদ্ধ হত সেটা এখনো আমার মাথায় ঠিক ঢোকেনি।
এর পরে পূজার বেশি রোল নেই, কয়েকটা গানের সঙ্গে নাচ, মাঝেমধ্যে কান্না এবং শেষ দৃশ্যে পুলিশ নিয়ে এসে নিজের বাবাকে ধরিয়ে দেওয়াতেই পূজার কাজ শেষ!

সবার শেষে বলি সিনেমার গানগুলোর কথা। যা বুঝলাম, সিনেমার পরিচালক এবং সঙ্গীত পরিচালক খুবই খোলা মনের মানুষ! তাই বাংলা সিনেমার গান শুধু বাংলা হতে হবে এতে ওনারা বিশ্বাস করেন না। তাই সিনেমায় হিন্দি-ইংরেজি-বাংলা মেশানো মাচো মস্তানাগানটা ছাড়াও গোটা একটা হিন্দি গান আছে, বাংলা সুফি গান আছে, আর হিন্দি এবং আফ্রিকান র‍্যাপ মিশিয়ে আর একটা গান আছে যেখানে নায়ক-নায়িকা নেচে নেচে গাইছে,
চল না চল না বায়লামো
চল না চল না বায়লামো
চল না চল না বায়লামো
লেটস্‌ রোমান্স!

যাই হোক, সবার শেষে একটা কথাই বলি, এই লেখাটা হালকা চালে মজার জন্য লেখা, ‘মাচো মস্তানাসিনেমার সঙ্গে জড়িত কেউ বা ঐ সিনেমাটির ভক্তদের খারাপ লাগলে আমি আগাম ক্ষমাপ্রার্থী। কাউকে অপমান করার কোন উদ্দেশ্যই আমার নেই।

আর লেখায় একাধিক বার গুণ্ডাশব্দটি ব্যবহারের কারণ আর কিছুই নয়... এই সিনেমার কিছু কিছু জায়গা দেখলে শ্রদ্ধেয় কান্তি শাহ্‌ মহাশয়েও হয়তো সেগুলো তাঁর পরবর্তী সিনেমায় ব্যবহার করতে চাইবেন আর তাই তাঁর অমর সৃষ্টি গুণ্ডার প্রতি ওইটুকুই আমার শ্রদ্ধার্ঘ্য!