Showing posts with label Sourav. Show all posts
Showing posts with label Sourav. Show all posts

Monday, June 20, 2016

দুই দশক...


কুড়িটা বছর পার হয়ে গেছে! আজ থেকে কুড়ি বছর আগে পৃথিবীটা অনেক অন্য রকম ছিল। অনেক নরম, শান্ত, ঠাণ্ডা, মজার একটা জায়গা! আমি তখনো বড় হয়ে যাইনি (এখন তো আর উপায় নেই!) তাই আমার পৃথিবীটাও আমার মতই ছোট্ট ছিল। সেই পৃথিবীর একদিকে বাঁটু্ল উটপাখি পুষছে, টিনটিন আর ক্যাপ্টেন হ্যাডক প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপে ঘুরে গুপ্তধন না পেয়ে ফিরে আসছে, ফেলুদা পার্ক স্ট্রিটের গোরস্থানের সবুজ ঘাসের ওপর ভাঙা শ্বেত পাথরের টুকরো সাজিয়ে টমাস গডউইনের নাম খুঁজে বের করছে আর কাকাবাবু সুকুমার রায় আবৃত্তি করে শোনাচ্ছে সন্তুকে।
আমার পৃথিবীর অন্য দিকটা জুড়ে ছিল একদল লোক, যাদের খুব ছোট্টবেলা থেকে টিভিতে দেখতাম। টিভির মধ্যে ব্যাট করছে, বল করছে, ক্যাচ ধরছে! আর দেখতাম বিজ্ঞাপনে। পামোলিভ, বুস্ট, পেপসি। তারপর তাদের নিয়ে পড়তে শুরু করলাম। গাভাসকার, কপিল দেব, আজহার, সচিন থেকে শুরু করে সি কে নাইডু, ভিনু মানকড়, ওয়ালশ, অ্যামব্রোজ, লারা, জয়সূর্য!
সেই ওয়ান ডে ক্রিকেটের সুবর্ণ যুগে তখন একের পর এক ক্রিকেট সিরিজ, ত্রিদেশীয়, চতুর্দেশীয় টুর্নামেন্ট হয়েই চলত১৯৯৬তে আবার ঘরের মাঠে বিশ্বকাপতার অভিনব বিজ্ঞাপন, টানটান উত্তেজনা, পাকিস্তানকে হারানোর লাগামছাড়া উচ্ছাসের পরই শ্রীলংকার কাছে করুণ পরাজয়। সব মিলিয়ে সে একটা সময় গেছিল বটে! (যদিও এটা আমার স্মৃতিতে দ্বিতীয় বিশ্বকাপ। বিরানব্বইয়ের অস্ট্রেলিয়ায় বিশ্বকাপ দেখার হাতেখড়ি! ফাইনালে ইমরান খানের জন্য #দিল দিল পাকিস্তানও ছিলাম সেই ন বছর বয়সে!)
বিশ্বকাপ শেষ হতে না হতেই ইন্ডিয়া পটাপট দুটো ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলে ফেলল, যদিও একটাও জিতল না। তারপর রওনা দিল ইংল্যান্ডের জন্য, এক গাদা নতুন খেলোয়াড় নিয়ে। রাহুল দ্রাভিড, সুনীল যোশী, ভেঙ্কটেশ প্রসাদ, পরশ মাম্ব্রে, বিক্রম রাঠোড়... এরা কেউ তখনো টেস্ট খেলেনি। ওহ্‌ আর একটা লোক ছিল। ট্যুর শুরুর আগে থেকেই যাকে নিয়ে বাংলা কাগজে বেশ হইচই হচ্ছিল। হাজার হোক, অনেক বছর পর এরকম একটা বড় ট্যুরে একটা বাঙ্গালী ছেলে দলে জায়গা পেয়েছে! ততদিন বাঙ্গালীর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মানেই গোলগাল, চশমা চোখে মধ্যবিত্ত ভদ্রলোক পঙ্কজ রায়। সঙ্গে বুড়ো বয়সে শুঁটে ব্যানার্জীর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে পাঁচ উইকেট নেওয়ার গল্প বা সুব্রত ব্যানার্জীর প্রথম ইনিংসে তিন উইকেট নেওয়ার পর আজহারের দ্বিতীয় ইনিংসে বল না দেওয়ার দীর্ঘশ্বাস! কেউ বলল, ‘কিচ্ছু করতে পারবে না’, আবার কেউ বলল, ‘খেলতে নিলে আগুন লাগিয়ে দেবে!’ কার কথায় ভরসা করা যায় বোঝার বয়স হয়নি তখনও।
লম্বা ট্যুর ছিল। অনেকগুলো কাউন্টির সঙ্গে ম্যাচ, বোধহয় সেই শেষবারইটুকটাক খেলছিল ছোকরা। একটা ওয়ান ডে খেলায় চান্স পেল। সচিন আউট হওয়ার পর ফার্স্ট ডাউন নেমে ৪৬ রান করল। ইন্ডিয়া হারল যথারীতি। সিরিজটাও।
ফার্স্ট টেস্টে টিমে ছিল না। ইন্ডিয়া হেরেছিল। সেকেন্ড টেস্টের আগে টিমে প্রচুর ঝামেলা। মঞ্জরেকারের চোট, সিধুও ঝামেলা করে ইন্ডিয়া ফিরে এসেছিল তত দিনে খবরের কাগজে পড়লাম রাহুল দ্রাভিডের অভিষেক হবে লর্ডস টেস্টে, আরও পরিবর্তন হতে পারে। সে কী কাণ্ড! বাঙ্গালীর ছেলে টেস্ট খেলতে পারে! সে কী প্রাদেশিক উত্তেজনা! বাঙ্গালীকে আর ক্রিকেটে দমিয়ে রাখা যাচ্ছে না! চারদিকে একটা সাজো সাজো রব।
আগেই বলেছি, কুড়ি বছর! আজ থেকে কুড়ি বছর আগে এই দিনে। সৌরভ গাঙ্গুলীর প্রথম টেস্ট! একটা বৃহস্পতিবার। স্কুলে গেছিলাম, ক্লাস সেভেনস্কুল থেকে ফিরে ছটার খাস খবরে শুনলাম সৌরভ খেলছে! উইকেটও নিয়েছে একটা। নটার খাস খবরে শুনলাম, উইকেট একটা নয় দুটো! তার পরের দিন ব্যাট করতে নেমে ২৬ রানে নট আউট। থার্ড ডে শনিবার। স্কুল হাফ ছুটি, ফিরে এসে রেডিও শুনছিলাম, কেবল টিভি তখন নেই। সৌরভ যখন প্রায় সত্তর তখন এক বন্ধুর বাড়িতে হামলা করলাম। আস্তে আস্তে রান বাড়ছে। সৌরভ নব্বই। সবাই উত্তেজিত! বাঙ্গালী খেলবে জানা ছিল কিন্তু এইসব হয়ে যাবে কেউ ভাবতেও পারেনি!
হঠাৎ টিভিতে ক্রিকেট বন্ধ। ইউরো কাপের খেলা। আজ গুগলে চেক করলাম, ইংল্যান্ড বনাম স্পেনের কোয়ার্টার ফাইনাল ছিল। বড় টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ডের একমাত্র টাইব্রেকারে জয়! কিন্তু তখন মনে হয়েছিল স্টার স্পোর্টসের চেয়ে হৃদয়হীন কী আর কেউ আছে!
সৌরভের টেস্টে প্রথমবার একশোয় পৌঁছনোর মুহূর্তটা দেখতে পাইনি। কী আসে যায়! সেটা তো একটা সামান্য স্ট্যাটিস্টিক্স! পরের টেস্টেই তো আর একটা হল!
সৌরভ ভারতীয় ক্রিকেটকে কতটা বদলে দিয়েছেআদৌ তার কোন অবদান আছে কিনা ভারতীয় ক্রিকেটে... সেই নিয়ে লোকে তর্ক করে। করুক! কী আসে যায়!
কিন্তু আমার জীবনটাকে সৌরভ কিভাবে পালটে দিয়েছে সেটা নিয়ে তো আর তর্ক করার জায়গা নেই। তার আগে অবধি ক্রিকেট শুধু একটা খেলা ছিল, সেদিন থেকে ক্রিকেট আমার মজ্জায় মজ্জায় ঢুকে পড়ল! সৌরভের খেলা, সৌরভের রান-উইকেট-ক্যাচ, অধিনায়কত্ব, সাফল্য, ব্যর্থতা... সবই আস্তে আস্তে হয়ে উঠল আমার জীবনের একটা অংশ।

আসলে আমার জীবনের দুটো ভাগ! ‘Before Lord’s 1996’ আর ‘After Lord’s 1996’

সেই ভাগটা হয়েছিল আজকের দিনেই, ঠিক কুড়িটা বছর আগে!

Saturday, July 19, 2014

The Lords’ Encore – 18 years down the line

Eighteen years back in the evening of 22nd June the whole India were treated to the welcome note sung by the two young Indian batsmen making their way into the grind of international test cricket. It was the second test of India’s tour of England and in an extremely messy scenario, perfectly exampled by the Indian team quite a few times during that era, those two young men were playing their first test match in the ‘Head-quarters’, the Lords.
India was already behind in the test series thanks largely to a very mediocre batting performance in both the innings of the Trent Bridge test match. Even a Sachin Tendulkar century was not enough for a team to save the test match for whom the next best score in that innings was 18. Clearly something has to give and it was obvious that Tendulkar needs some support in the other end to build his innings and also for India to make some sizable total.
To make matter worse, Navjot Singh Sidhu, one of the mainstay of the Indian batting line up walked out of the tour just before the second test due to an ugly spat with then Captain Mohammed Azharuddin. Already there were talks of giving chance to one of the newbie’s Sourav Ganguly to make his debut in Lords. Ganguly just played two ODIs before that with a gap of more than 4 years between them. But his 46 in the last One day was a good innings and he was generally in a good form during the tour with couple of centuries in the first class matches against the counties and other minor teams.
The other option in the middle order was Rahul Dravid. Despite being a prolific run scorer in domestic cricket Rahul was quickly gaining the dubious reputation of being a ‘domestic tiger’ much like Raman Lamba and some others due to the poor return in his first few ODIs. From his debut in April of that year till that test, Rahul played 5 ODIs scoring only 43 runs in those. But he also got a chance in that last ODI along with Sourav and made quick unbeaten 22 of 15 at the death. Hence when Sanjay Manjarekar was deemed injured before the second test then Rahul replaced him in the number 7 position in the batting line up.
(Source: Internet)
India won the toss and put England in. England with a very strong top order with Atherton, Stewart, Hussain, Thorpe and Hick found an unlikely hero in their eccentric wicketkeeper Jack Russel, whose 124 along with support from Thorpe, who scored 89, took England to 344. For India, Venkatesh Prasad, playing his second test, put his name in the Lords Honour board with five wickets. Srinath got 3 and Ganguly with his slow medium pace utilized the condition and pitch to get enough swing to finish with two big scalps of Hussain and Hick.
At the end of second day’s play India was 83 for loss of two wickets with Ganguly and Tendulkar in the middle. India kept losing wickets in regular interval on the third day and at 202 for 5 was at the risk of getting allout below 300. Ganguly was solid in one side but needed support. Rahul Dravid came out of the dressing room and joined Sourav to bat in his first test match. Rest as they say is history. That day, their partnership of 94 runs was the first of many such partnerships in next 12 years. Ganguly got that elusive debut century at Lords to get out for 131. Dravid built important partnerships with his Karnataka team mates Kumble and Srinath but unfortunately got out just 5 short of his debut hundred.

That test match ended in a draw but the course of Indian cricket was changed that day. Those two youngsters with their talent and capability drive Indian cricket to many new peaks and accomplishment throughout their career.
Together they have scored almost 43,000 international runs to go with 137 wickets and almost 600 catches. I can keep listing their 100’s and 50’s but these dry statistics cannot completely illustrate their contribution to the Indian cricket. They are two ideal ‘Sportsman’ in true sense of the term and as leaders and as great performers they are well respected and loved by thousands of fans and critics all over the cricketing world and beyond.

Let’s move forward to 2014. India is playing another test match in Lords and the surroundings are very similar to that 96 tour. India has not won an away test match for over 2 years during which they have played 15 test matches outside home. People are asking questions about the team combinations and line up. To add to that, things got messier with India’s complaint against James Anderson and England’s counter-complaint against Ravindra Jadeja just before the start of the test matches. India again has a young batting line-up and although no one is making their debut but two of them have played less than 10 test matches. Among them Ajinkya Rahane played just 6 test matches and all though he already scored his maiden test century in New Zealand it’s safe to say that he is still finding his feat in the longer version of the game.
After the slow lifeless pitch in Trent Bridge during the first test, the Lords pitch was completely different. It is the most greenish pitch produced in Lords in ages and just before the test match the tweeter and other social media sites were buzzing with ex-cricketers and cricket followers exclaiming their surprise in such a green pitch.
(Source: Internet)
India lost the toss and was sent in by England. The pitch had lots of life in it and Indians had quite a difficult time throughout the first session. But after a relatively better first session where they scored 78 runs with loss of just 2 wickets India lost their way in the middle session and when they lost their 7th wicket with 145 on board even 200 looked like a distant dream. Rahane came to bat at the fall of 3rd wicket and by the time the 7th wicket fall he reached 26. Although he looked solid but there was a possibility that he could run out of partners.
But Bhuvneshwar Kumar was not ready to give in easily; he became just the right ally for Rahane playing very sensibly with a mindset and technique of a batsman. And as the pressure were off from his shoulder Rahane became more and more assured and with the second new balls coming to bat more quickly he started playing his shots which included a wonderful lofted six of Anderson, arguably England’s best bowler of the day. Although Kumar got out with Rahane at 78 he found more able support in Mohammed Shami and finally reached his first Lords’ century with punch through point boundary.
It is a memorable innings played in a difficult pitch with the team in dire straits. Rahane is slowly making his name in test cricket and getting the reputation of not only Top-class test batsman but also someone who has the traits to build long partnership with the tail, an enviable quality for any middle order batsman.

18 years back those two gentlemen made an entire generation of cricket followers falling in love with their brand of cricket. And although we do not know whether India will be able to snatch a win or not but we can just hope that Ajinkya Rahane will be able to create many such generations of fans with other great innings like this one.

Wednesday, November 13, 2013

পাঁচ মহারথী

১৪ নভেম্বর তারিখটা ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা যে অনেক দিন মনে রাখবেন সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। সেদিন শচীন তেন্ডুলকার তাঁর ২০০তম টেস্ট ম্যাচ খেলতে নামবেন। এর আগে কেউই ২০০ টেস্টের মাইলস্টোন ছুঁতে পারেননি সুতরাং সেদিক দিয়ে দেখলে এটা একটা বিশাল কৃতিত্ব কিন্তু তার থেকেও বেশী গুরুত্বপূর্ণ হল যে শচীন তাঁর ২৪ বছরেরও বেশী দীর্ঘ ক্রিকেট জীবন শেষ করবেন ঐ ম্যাচটি খেলে।
মিডিয়ার সৌজন্যে এটা আজ সবাই জানে। লাখ লাখ শব্দ এর মধ্যেই খরচ হয়ে গেছে এই ঘটনার পেছনে। শচীন কি ছিলেন, শেষ কদিন তিনি কি করছেন, কি ভাবছেন, তাঁর পরিবারের লোকজন কি করছে, তাঁর বন্ধুরা কি করছে সেটা জানতে আর বাকি নেই কারো। আমি সে সব লিখে পাতা নষ্ট করতে চাই না। তার চেয়ে বরং আমার নিজের ঠিক কি মনে হচ্ছে সেটা লিখি।
শচীন একজন দারুণ খেলোয়াড়, প্রচুর রেকর্ড, অনেক অনেক রান আর উইকেট, বেশ কিছু ম্যাচ জেতানো ইনিংস, সব মিলিয়ে আমার জীবনে শচীনের কম স্মৃতি নেই। ১৯৯১ সাল থেকে খেলা দেখছি আর এতদিন শচীনই ছিল একমাত্র constant factor. কিন্তু তবু আমার কাছে শচীনের এই অবসর আমার কাছে শুধু শচীন নয়, ভারতীয় ক্রিকেটের একটা পুরো যুগের অবসান। সেটার কথাই লিখি।

আজকে মহেন্দ্র সিং ধোনির এই দলটা গত ৪ বছর ধরে প্রচুর সাফল্য পেয়েছে, টেস্ট র‍্যাঙ্কিং-এ ১ নম্বর স্থান, বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়নস ট্রফি, দেশের মাটিতে প্রচুর সাফল্য, বিরাট কোহলি, শিখর ধাওয়ানের মত কিছু অসাধারণ খেলোয়াড়ের প্রচুর ম্যাচ জেতানো ইনিংস, সব মিলিয়ে এই দলটাই ভারতীয় ক্রিকেটের ‘সোনালী প্রজন্ম’। কিন্তু এরাই কি আমাদের, মানে আমার মত যাঁরা গত ২৫ বছর যাবৎ ক্রিকেট দেখছেন তাঁদের প্রিয় দল?
আমার কাছে নয়, হ্যাঁ অস্বীকার করছি না এই দলটাও আমার খুব প্রিয় কিন্ত সবচেয়ে প্রিয় কি? সেই প্রশ্নের উত্তর না। কারণ আমার সবচেয়ে প্রিয় যে দল সেটাকে আমি বলি ভারতীয় ক্রিকেটের ‘রোমান্টিক প্রজন্ম’, হ্যাঁ এই দল হয়তো ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল নয়, অনেক অনেক অসাধারণ, মনে রাখার মত স্মৃতি সত্বেও হয়তো অনেক না পাওয়া আছে এই দলটার কাছ থেকে কিন্তু সাফল্য হয়তো সব সময় শেষ কথা নয়। অনেক অনেক মনকে ছুঁয়ে যাওয়ার মত মুহূর্ত দিয়েছে এই দল। আর শুধু শচীন নয়, আমার কাছে আমার ‘রোমান্টিক প্রজন্মের’ নিউক্লিয়াস পাঁচ জন। অনিল কুম্বলে, শচীন তেন্ডুলকার, সৌরভ গাঙ্গুলী, রাহুল দ্রাভিদ এবং ভেঙ্কট সাই লক্ষণ।
এই পাঁচ জনের এক একটা পারফর্মেন্স, রান, সেঞ্চুরি, উইকেট আমাকে সমৃদ্ধ করেছে। মনে হয়েছে, আরে এটা তো আমার সাফল্য, আমার আনন্দ। লক্ষণের রান আউট কিম্বা কুম্বলের একটা খারাপ স্পেল দেখে যেন দিনটা খারাপ গেছে আমারও। আবার ভোর পাঁচটায় ঘুম থেকে উঠে যখন দেখেছি শচীনের কভার ড্রাইভ বা রাহুলের স্কোয়ার কাট মনে হয়েছে দিনটা এত ভালো শুরু হল, খারাপ যাওয়া আর সম্ভব নয়।
আর ওদের নিয়েই এই লেখা, এই পাঁচজনকে নিয়ে আমার সবচেয়ে প্রিয় কিছু স্মৃতি।

আলোকোজ্জ্বল ইডেন গার্ডেন থেকে বলছি...
১৯৯৩ সালে সিএবির ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজন করা হয় হিরো কাপ, ভারত সহ আরো পাঁচটি দেশ নিয়ে। এই প্রথম ইডেন গার্ডেনের ফ্লাড লাইটের মায়াবী আলোয় খেলা হয় সেমি ফাইনাল আর ফাইনাল।
প্রথম সেমিফাইনালে যখন শেষ ওভারে যখন ৬ রান করলেই দক্ষিণ আফ্রিকার জয় নিশ্চিত, কপিল দেব বা জাভাগল শ্রীনাথের বদলে বল করতে এসে মাত্র ৩ রান দিয়ে ভারতকে জয় এনে দেয় শচীন।
ফাইনালে অবশ্য এতটা কষ্ট করতে হয়নি ভারতকে। অনিল কুম্বলের ১২/৬ (একদিনের ক্রিকেটে এখনো ভারতীয়দের মধ্যে সেরা বোলিং হিসেব) এর দৌলতে সহজেই ১০২ রানে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে কাপ যেতে ভারত।

ভারতের নতুন ওপেনার
১৯৯৪ সালের ২৭শে মার্চ তারিখে ভারত আর নিউজিল্যান্ডের অতি সাধারণ একটা ক্রিকেট ম্যাচ আজও স্মরনীয় আছে শচীন তেন্ডুলকারের জন্য। প্রথমবার একদিনের ক্রিকেটে ওপেন করতে নেমে শচীন ৪৯ বলে ১৫টা চার আর ২টো ছয়ের সাহায্যে অবিশ্বাস্য ৮২ রান করে। সেই শুরু, শচীনের মোট ১৮,৪২৬ রানের মধ্যে ১৫,৩১০ রানই করা ওপেন করতে নেমে করা।

লর্ডসের সেই টেস্ট ম্যাচটা...
ভারত বিশ্বকাপ জিতেছিল ১৯৮৩র জুন মাসে। ১৯৯৬ সালের আর এক জুন মাস থেকে বদলে গেল ভারতীয় ক্রিকেটের গতি-প্রকৃতি যখন, আমার মতে ভারতের সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যান এবং সর্বকালের সেরা অধিনায়ক শুরু করল তাদের টেস্ট যাত্রা। সৌরভ প্রথম টেস্টেই শতরান করলেও রাহুল আটকে যায় ৯০-র ঘরে। তবে এইভাবে দুই বন্ধুর একসঙ্গে বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের জাত চেনানো আমার সবচেয়ে প্রিয় দিনগুলোর মধ্যে একটা।


শচীনের গুপ্ত অস্ত্র
আমি যখন খেলা দেখা শুরু করি তখন পাকিস্তানের সঙ্গে খেলা মানের ভারতের জেতার সম্ভাবনা শূন্যের কাছাকাছি। ছবিটা আস্তে আস্তে বদলেছে, এখন ভারত-পাকিস্তান খেলা হলে ভারতের দিকেই পাল্লাটা ভারী থাকে। আর পরিবর্তনের প্রথম ধাপ ছিল ১৯৯৭ সালের সাহারা কাপ। টরেন্টোতে হওয়া ৫ ম্যাচের সিরিজে ভারত জেতে ৪-১। টানা ৪টে খেলায় ম্যান-অফ-দ্যা-ম্যাচ হওয়ার রেকর্ড করে সৌরভ। সে রেকর্ড এখনও অক্ষত। গোটা সিরিজে সৌরভ করে ২২২ রান, সঙ্গে ১৫টা উইকেট। শচীন প্রেস কনফারেন্সে বলে, “সৌরভ আমার দলের গুপ্ত অস্ত্র!”

শারজার মরুঝড়
আমার অত্যন্ত প্রিয় দুটো ইনিংস। পর পর দুদিন ধরে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের নিয়ে ছেলে খেলা করে শচীন। শুধু তাই নয়, দুটো ম্যাচেই একা লড়াই করেছিল শচীন। প্রথম দিন না জিতলেও ফাইনালে যাওয়ার রাস্তা খুলে গেছিল রানরেটের ভরসায়। ফাইনালে জয় আর তারপর শচীনের পাওয়া গাড়িতে চড়ে গোটা দলের মাঠ প্রদক্ষিণ এখনো চোখের সামনে ভাসে।

চেন্নাই, ১৯৯৯
পাকিস্তানের কাছে হারলে খারাপ লাগাই স্বাভাবিক, তার ওপর সেটা যদি আবার জেতার মত জায়গা থেকে হঠাৎ করে মাত্র ১২ রানে হার হয়। তার সঙ্গে পিঠে যন্ত্রনা নিয়ে করা শচীনের অসাধারণ ১৩৬ রানের ইনিংস। একটা অদ্ভুত মন খারাপ করা রোমান্টিসিজম আছে এই ম্যাচটার।


দশ উইকেটের ম্যাজিক
ঐ সিরিজেরই দ্বিতীয় টেস্টে ইতিহাস তৈরী করে অনিল কুম্বলে। জিম লেকারের পর দ্বিতীয় বোলার হিসেবে টেস্টে এক ইনিংসে দশ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড তাও আবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, ২১ বছর পর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্ট ম্যাচ যেতে ভারত। চেন্নাইয়ের হারের পর দারুণ আনন্দ দিয়েছিল এই ম্যাচটা।

সব ম্যাচের সেরা
২০০১ সালের ইডেন টেস্ট ম্যাচটা যে ভারতের ৮ বছরের টেস্ট ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা ম্যাচ তা নিয়ে খুব বেশী লোক হয়তো দ্বিমত হবেন না। একটানা ১৬টা টেস্ট জেতা স্টিভ ওয়ার অশ্বমেধের রথকে মাটিতে নামিয়ে দেয় সৌরভের দলের ছেলেরা। তাও আবার ফলো-অন করার পর। হরভজনের হ্যাট্রিক সহ তেরটা উইকেট, ম্যাচের চতুর্থ দিনে সারাদিন লক্ষণ-রাহুলের যুগলবন্দী, শেষদিন টি এর পর শচীনের তিন উইকেট আর দিনের শেষে ভারতের জয়। এই ম্যাচের তুলনা কোথায়! 


ভাঙ্গা চোয়াল তো কি, লড়াই চলবে...
অনিল কুম্বলে ভারতীয় ক্রিকেটের সেরা ম্যাচ উইনার। উপমহাদেশের পিচে পনেরো বছর ধরে  ভারতকে একের পর এক টেস্ট জিতিয়েছে অনিল। কিন্তু ২০০২-র ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে চতুর্থ টেস্টে অ্যান্টিগাতে অনিল সাহসের যে নিদর্শন দেখিয়েছিল তা বিশ্ব ক্রিকেটে বিরল। মারভিন ডিলনের বাউন্সারে চোয়াল ভেঙ্গে যাওয়া অবস্থায় ব্যান্ডেজ বেঁধে মাঠে ফিরে এসে একটানা ১৪ ওভার বল করে ব্রায়ান লারার উইকেট। এর চেয়ে ভালো আর কি হতে পারে!

যুবশক্তির উত্থান
সৌরভ অধিনায়ক হওয়ার পর থেকেই ভারতীয় দলে অল্প-বয়স্ক খেলোয়াড়দের সংখ্যা বাড়তে থাকে। ম্যাচ-ফিক্সিং বিতর্ক, খারাপ ফর্ম আর চোট-আঘাতের দৌলতে দলে আসে হরভজন সিং, জাহির খান, বীরেন্দ্র সেহবাগ, যুবরাজ সিং, মহম্মদ কাইফের মত তরুন-তুর্কির দল। তারা আস্তে আস্তে নিজেদের নিয়মিত করে তোলে ভারতীয় দলে।
ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনালে ৩২৫ রান তাড়া করে সৌরভের দ্রুত ৬০ রানের ওপর ভর দিয়ে ভালোই শুরু করে ভারত। কিন্তু নিয়মিত উইকেট পড়তে পড়তে ১৪৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে যখন ভারতের করুণ দশা তখন হাল ধরে কুড়ি বছরের যুবরাজ আর একুশ বছরের কাইফ। অসাধারণ স্ট্রোক-প্লে আর দ্রুত সিঙ্গলসের ওপর ভর দিয়ে ভারতকে নিয়ে যায় জয়ের দোরগোড়ায়। আর শেষ ওভারে জেতার পর উত্তেজনায় লর্ডসের ব্যালকানিতেই সৌরভের নিজের জার্সি খুলে ওড়ানো, সে তো ভারতীয় ক্রিকেটের লোকগাথার অংশ হয়ে গেছে!


তিন মূর্তির শতরান
শচীন, রাহুল এবং সৌরভের মধ্যে যেকোন দুজনের যুগলবন্দীর অভাব নেই। খুঁজলে ওরকম অনেক অনেক ম্যাচই পাওয়া যাবে। কিন্তু ২০০২এর হেডিংলি টেস্টই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একমাত্র উদাহরণ যেখানে ঐ তিন জনেই সেঞ্চুরি করেছিল।
ম্যাচটাও আমার বেশ পছন্দের। নিজেদের শক্তিতে খেলার জন্য ভারত কুম্বলে আর হরভজন দুজনকেই দলে নেয়। সঙ্গে মাত্র দুজন মিডিয়াম পেসার। তাই টসে জিতেও হেডিংলির পেস-বোলিং সহায়ক পিচে ব্যাটিং নিতে বাধ্য হয়ে ভারত। প্রথম দিনে রাহুল আর সঞ্জয় বাঙ্গারের আসাধারণ ব্যাটিং-এর ওপর ভিত্তি করে দ্বিতীয় দিন হাত খোলে শচীন-সৌরভ। ভারতের মোট রান দাঁড়ায় ৬০০ র বেশী। শেষ পর্যন্ত অনিলের ৭ উইকেটের ওপর ভর দিয়ে ইনিংসে ম্যাচ যেতে ভারত। স্পিনাররা নেয় মোট ১১ উইকেট।

বিশ্বকাপ মানেই পাকিস্তান বধ...
২০০৩ এর বিশ্বকাপ অনেক কারণেই স্মরনীয়। খুব সাধারণ শুরু, গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে বিশাল হার, খেলোয়াড়দের বাড়িতে ইঁট বর্ষণ, আর তারপরেই চমকপ্রদ ঘুরে দাঁড়ানো। ফাইনাল অবধি টানা ৮ ম্যাচে জয়। সবচেয়ে মনে রাখার মত ম্যাচ ছিল সেঞ্চুরিয়নে পাকিস্তানের সঙ্গে। পাকিস্তানের ২৭৩ রান তাড়া করতে নেমে আক্রমের প্রথম ওভারে ৯ রান করে ভারত। ম্যাচের দ্বিতীয় ওভার মানে শোয়েবের প্রথম ওভারের শেষ তিন বলে শচীন ৬, ৪, ৪ মেরে ওভারে মোট ১৮ রান করে। শচীন শেষ অবধি ৯৮ রানে আউট হলেও যুবরাজকে সঙ্গে নিয়ে সহজেই রান তাড়া করে ফেলে রাহুল।
শচীনের ঐ ৯৮ একদিনের ক্রিকেটে আমার প্রিয় শচীন ইনিংস!

স্টিভের বিদায়বেলায়...
গত পঁচিশ বছরে আমার সবচেয়ে পছন্দের বিদেশ সফর। ৪ টেস্টের সিরিজে যে কতগুলো মনে রাখার মত মুহূর্ত ছিল গুনে শেষ করা যায় না। তবু বলতে হলে সৌরভের ব্রিসবেনের ১৪৪, অ্যাডিলেডে রাহুলের ডাবল সেঞ্চুরি, লক্ষণের শতরান, তারপর আগারকরের ৬ উইকেটের দৌলতে জেতার সুযোগ, চতুর্থ ইনিংসে রাহুলের অনবদ্য ইনিংস, সিডনি টেস্টে শচীনের অসামান্য ২৪১ আর লক্ষণের ১৭৮ আর বাকিদের সাহায্যে ভারতীয় দলের প্রথমবার টেস্ট ক্রিকেটে ৭০০ র বেশী রানের ইনিংস এগুলো বলতেই হয়। স্টিভের শেষ সিরিজে ১-১ ফলেই খুশী থাকতে হয় তাঁকে। তাঁর চোখের সামনে বর্ডার-গাভাসকার ট্রফি নিজের কাছে রেখে দেয় ভারত অধিনায়ক সৌরভ।

পাকিস্তানে প্রথম জয়
২০০৪ সালের আগে অবধি ভারতীয় ক্রিকেটে একটা অভিশাপ ছিল। কোন ভারতীয় অধিনায়ক পাকিস্তান সফরের পর নিজের অধিনায়কত্ব বাঁচিয়ে রাখতে পারেননি। এমনকি পাকিস্তানের মাটিতে একটাও টেস্ট জয় ছিল না ভারতের। কিন্তু সবই বদলে যায় ভারতের ২০০৪র পাকিস্তান সফরে।

১৪ বছর পর পাকিস্তান যায় ভারতীয় দল, তাদের সঙ্গে বিশেষ ক্রিকেট-ভিসায় পাকিস্তান যায় প্রচুর সংখ্যক ভারতীয় সমর্থক। উৎসাহের কোন কমতি ছিল না এই সিরিজ নিয়ে। এই সিরিজেও অনেক গুলো মনে রাখার মত ম্যাচ ছিল। করাচিতে রাহুলের ৯৯, কাইফের অসাধারণ ক্যাচ, রাওয়ালপিন্ডিতে শচীনের শতরান সত্বেও ভারতের হার, শোয়েবের বলে বালাজীর ছক্কা, শেষ ম্যাচে শচীনের অসাধারণ ক্যাচ! ভারত একদিনের সিরিজ জেতে ৩-২। টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচেই সেহবাগের ৩০৯, সঙ্গে শচীনের ১৯৪। পাকিস্তানে প্রথম টেস্ট জেতে ভারত। আর শেষ টেস্টে আমার রাহুলের ২৭০-এর ওপর ভর দিয়ে ২-১ সিরিজ জেতে ভারত। পাকিস্তানে সেই প্রথম।

মহারাজের রাজধানীতে
১৯৯৩-এর ইডেন গার্ডেন দিয়ে শুরু করেছিলাম, ২০০৭-এর ইডেন গার্ডেন দিয়ে শেষ করি। বিপক্ষ ছিল পাকিস্তান, আর ঘরের মাঠে নিজের একমাত্র টেস্ট শতরান করে সৌরভ। আমি ভাগ্যবান, সেদিনের সত্তর হাজার ইডেনমুখো জনতার মধ্যে আমিও ছিলাম। নিজের চোখে দেখেছিলাম, সৌরভের শতরান আর তার পরের উচ্ছাস! সঙ্গে লক্ষণের কাব্যিক শতরান। সেটা তো একটা বাড়তি পাওনা!

ভারতীয় ক্রিকেটে এই পাঁচ জনের অবদান শুকনো পরিসংখ্যান দিয়ে মাপা যায় না। ভারতীয় ক্রিকেটের বিবর্তণ আর আধুনিকীকরণের প্রধান স্থপতি এই পাঁচ জন। আমি ভাগ্যবান যে আমার ক্রিকেট মুগ্ধতা এসেছে এই পাঁচ মহারথীর হাত ধরে। ধন্যবাদ শচীন, আমার ছোটবেলাকে এত স্মরনীয় করে রাখার জন্য। কিন্তু শুধু শচীন নয়, অনেকটা ধন্যবাদ তোলা থাক অনিল, রাহুল, লক্ষণ আর সৌরভের জন্যেও।

[এই লেখার সমস্ত ছবি Cricinfo ও অন্যান্য ক্রিকেট সংক্রান্ত ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া।]

Saturday, May 18, 2013

My Two Sporting Heroes


From a very young age I used to follow various sports like Cricket, Football, Hockey and Tennis. Also because of my reading habits I used to read a lot about these sports in the newspapers, old journals and books from local library. There was always a sporting culture in my home and both my parents love to catch a few games on TV, especially Cricket, time to time.
Being an egoist from my childhood, I always relate myself with some team or other. I always have a favourite team of mine and for most often than not I am one of those extreme, creepy supporters who can do anything for the team they support. That can include anything from waking up at 3 in the morning, offering sweets to God (as bribe or ‘Mannat’ whatever you call it may be), and  after team’s win to indulge in fight with random people in the streets in support of your favourite team.
I passionately support the Indian cricket team for as long as I can remember, may be except a brief period in 2006, but that’s a different story and I can never understand how so many Indian people could not support their own cricket team and constantly abused the team and the players. Yeah there are those bullshits like ‘Patriotism is crap’, ‘This is BCCI’s team and many others but seriously man when you have a cricket team of your country who are 3 times world champion, why the hell would you go and support teams like England and West Indies? And then, someone once told me, “I support Pakistan, I do not like Indian team and I will not support whites who are racist!!” Why not Sri Lanka then I thought, but also realized that the possible reason could be that they are too dark than his liking!
Except the Indian cricket team, the other teams I support passionately are Mohun Bagan Athletic Club, Brazilian National Football Team and Manchester United Football Club. The order is not necessarily based on the level of passion; it’s more to do with a chronological order of me becoming a fan of these 3 football clubs.
My family is a Mohun Bagan family, my parents support Mohun Bagan and it must be sometime around 1989-90, when the famous Bengali weekly ‘Anandamela’ came up with a special issue focusing on Kolkata Football. My father used that one to explain about Mohun Bagan club, the first Indian club to beat the foreigners to win the 1911 IFA Shield. He explained the importance of Mohun Bagan club and their status in Indian football. More than 20 years have passed and the love is still intact despite of a relatively tougher time for last three & a half years.
At the time of 1990 Football World Cup, I was only 6-7 years old but even in that age I was an avid reader and read as many reporting and articles I could about World Cup football and its history. Based on those books and very few available old football clips I found the Brazilian national team to be most attractive but most importantly Brazil has a rich history of their football and I was an instant fan of Brazilian greats like Pele, Garrincha and Zico. And by the time 1994 World Cup came I became as passionate Brazil fan as possible and I consider myself lucky to watch two of Brazil’s 5 World Cup triumph in the 5 world cups I have seen. The next one will be in the country itself and although the squad is not very strong and lacks co-ordination I still hope for a magic in their country where World Cup is returning after 64 years!!
And then there is the Manchester United Football Club, one of the world’s most famous football clubs along with likes of Real Madrid, Barcelona, AC Milan and Bayern Munich. Now call me a ‘Glory hunter’ or whatever you may like, but the fact is that I did not start supporting Man United from first day of my life. No one of us could, these are foreign football clubs and even till mid 90’s it was very difficult to even get news regarding these clubs. It was early days of ESPN/Star Sports in India and except the foreign tours of Indian cricket team what they would show was Baseball and basketball. And for people in Kolkata, football meant the worldwide frenzy which comes once every four years with World Cup football.
I read about Matt Busby and the Munich plane crash of 1958 and how that team had the potential to world-beater and how by fate they become part of one of the biggest sporting tragedies of the century. But most of my knowledge was based on history and frankly in the first half of 90s, I,  as a 10 year old boy did not care much about what was happening in English football
And then EPL started coming to India through ESPN and I followed those matches, watched post match shows, I knew about United, learnt about other teams, Liverpool, the Arch enemy, Arsenal, the other power house, Man City, the noisy neighbours  and then I started hearing two names regularly. Alex Ferguson and David Beckham, both were part of Manchester United football club. David may not be a great player but he was a star and Ferguson was a well respected football coach and a great tactician.  I started liking them, started liking the club and then came 1999.
1999 was arguably the best year for Manchester United in the Ferguson era. Not only the treble but that night in Camp Nou which made 1999 a legendary year in United history and I got more and more attracted to the team which had both great footballing tradition and a very strong current team with Ferguson in the helm.
My passion for United increased gradually. On the other hand,  early 2000 witnessed a  very interesting growth of  Indian cricket team. Dravid and Ganguly were moving towards their legendary status and new youngsters like Yuvraj, Sehwag, Harbhajan and Zaheer coming up. So most of my spare time was dedicated to cricket, Indian team and more specifically on Saurav Ganguly, the stylist southpaw who changed the face of Indian cricket with his unmatched passion and fighting spirit.
Post 2006-07, the passion in cricket went down somewhat. It could be a result of the overkill by ICC and BCCI by arranging meaningless series and tournaments. Also the team was changing.  Lots of new players were coming, Old warhorse like Ganguly got retired in 2008,  Dravid decided to play only test matches, IPL and other private leagues came to make cricket more of a product than a sport. And with all these my dedication for football precisely for United was increasing.
Now pls don’t get me wrong here ILP lovers. I am not saying IPL is bad, or do not follow cricket nowadays (I can challenge you in a cricket quiz any time, ok not everyone… like Abhishek Mukherjee), I watch cricket as much as I can, I was ecstatic with KKR’s win last year but at the same time my focus on football and United grew over the year.
I did lots of study on United players and especially on Sir Alex. I Read about him, got ‘Football- Bloody Hell’, his famous biography … The more I read about him my respect for him grew day by day.  Then interestingly I slowly realized that two of my most respected sporting icons have many things in common.
Yes, Sourav Ganguly and Sir Alex Ferguson may be from two completely different sporting backgrounds but there are a few common threads which connect them together.
Firstly, both Sir Alex and Sourav could not fulfil their potential as players but became great leaders and motivators. Sir Alex with 6 clubs in his 17 year long career and 171 goals could never play for his country and as a player he could only be called modest.
Ganguly on the other hand was much successful as a player with more than 18,000 runs in international cricket is arguably the best left handed batsman India has ever produced and one of the best left handed batsmen in his generation.  But I personally feel that we did not see his best performance and he could have achieved much more specially as a test match batsman, but as we know their leadership skills which are pretty unmatched in style. And obviously the impressive results they could achieve with the limited resources they mostly had.
Secondly, both of them were masters of working with a young team. Ganguly is considered to be the first Indian captain to build a successful team with young upcoming players like Sehwag, Harbhajan, Kaif, Yuvraj, Zaheer and even Mahendra Singh Dhoni in a later stage. No one can ignore the support he provided for some of these players in their initial not-so-successful phases of career. These youngsters could not get the World cup in 2003 but in 2011 when Sourav was long gone, the team that won the World cup had 5 of the above mentioned players as the mainstays in that team.
Even Ferguson did the same during his entire managerial stints and his legendary ‘Class of 92’ included Ryan Giggs, David Beckham, Paul Scholes and Neville brothers who in their late teens at that time became stalwarts for their club and country for the next decade. Even Wayne Rooney and Christiano Ronaldo both were around 17 years old when Ferguson signed them and made them two of the biggest names in world football. Not only nurturing the young talent, but the way he supported them in their bad time, especially Beckham during post infamous red card in 1998 world cup and Ronaldo after the ‘Wink’ incident in world cup 2006 made Ferguson different from other great managers.
I do not like many Shah Rukh Khan Movies but one of them which I consider relatively better is ‘Chak De India’ and there was a dialogue in the movie something like, “Harr team mein ek Gunda rahata hain, aur iss team ka Gunda main hnu”. This dialogue doesn't only refer to the legendary blockbuster ‘Gunda’ by the master Kanthi Shah it is also quite true for both Sourav and Sir Alex.
Both of them are great leaders and the common trait in their leadership style was the fact that at their times as coach or captain they wanted to be the person who should call the shots, who should be on the spotlight. Because of that there were multiple times in their career when they got into tussle with fellow players, coach or other management staffs in the team.
Sourav always had issues with players from other teams and umpires, most famously the ‘Late for Toss’ incident with Steve Waugh. The nadir reached at the time of Greg Chappell being Indian coach, Ganguly was the main person behind Greg’s appointment as India’s coach post John Right but within few months the relationship grew sour and finally ended with Ganguly getting dropped from the team due to his poor form and some non-cricketing reasons.
Ferguson also had his share of issues with players and according to many people he never allowed anyone to become bigger than him in the club. For him the most infamous incident should be the kicking of boot which his David Beckham on face and resulted in David’s exit next season.

And finally the most significant similarity which I found for these two greats of their game is that only very few people during their era could generate so much polarized view as these two can get.
There are people who think Ganguly is ‘God of offside’, ‘The man who brought renaissance to Indian cricket’, ‘The first Indian captain who showed how to win abroad’ and a ‘True fighter’. But there are similar number of people who think he is ‘Slow, unfit with no proper technique, arrogant and has absolutely no contribution to Indian cricket’. His shirt waving in the balcony of Lords brings as much praise as criticism from Indian media. On the other hand part of Australian media who was always behind his back during his career finally accepted how they could only consider him as one of their toughest competitors and how much respect they had for his fighting spirit.
The story is quite similar for Sir Alex. One of the most successful and longest serving coaches in the history of football. Ferguson is hailed as an awesome tactician, great motivator and someone who has changed the face of England football and made Manchester United a super power and well known brand in the world, whereas his many adversaries would call him arrogant, hard to work with and even some would accuse him for controlling and pressurising the referees and FA.
At the end of the day, these two are the biggest names of their own fields and two of my most respected sporting heroes. No discussion of Indian cricket or Club football can be completed without at least once mentioning Sourav’s or Sir Alex’s name.
10th November 2008 was a sad day for me, the day I saw Saurav Ganguly playing for the last time in Indian jersey, bidding farewell after a successful 2-0 win over his fiercest rivals, the Australians. The game is still there and definitely the game is bigger than its players but somewhere in small corner of my heart the memories of Sourav Ganguly are preserved carefully & nurtured with affection & respect only for my recollection. Now I watch the game with more brain and less heart.
Sir Alex will have his last game on 19th of this month and yes he is also leaving with the success of the 20th league triumph (his 13th league title and 38th trophy overall for United) and I will be sad once again but the memories will be there. The memories of his tactical brilliance, of his passion and the memories of the aura he has built in his 27 years in Manchester United.
Thanks both of you for the memories and all the best for the future.

Wednesday, October 26, 2011

My Experience with Eden Gardens

Kolkata is home of lots of great personalities. It was the home of Rabindra Nath Tagore, Satyajit Ray, Swami Vivekananda and many more. It is the home of Rosogolla and Mishti Doi. Kolkata is also one of the homes of Indian cricket. We may not boast of too many great cricketers from Kolkata but we can definitely be proud of Eden gardens, one of the most beautiful place for playing cricket under the sun. One of the largest cricket ground in world with a history of more than 75 years of test cricket, Eden Gardens is a very very special place for lot of cricket lovers including me.
My first memory of Eden gardens was a one day international in 1991. Incidentally this match was also the first international match for the South African cricket team after their return to international cricket. I remember watching it in our old B&W television set. Sachin Tendulkar and Allan Donald was the joint man of the match in that match. India won chasing 177 despite Donald got 5 wickets for just 29 runs.
In next 15 years, thanks to our televisions (B&W replaced by a colour one just before 1999 world cup), I have seen some unforgettable matches in Eden gardens.
I saw Azhar’s 182 against England in 1993. Sachin Tendulkar and Anil Kumble’s magic on the Hero Cup semi-final and final, the massacre against Sri Lanka in the world cup semi-final, Azhar’s 74 ball hundred against South Africa, and that match against Pakistan where they won, after being 26/6 in the first hour of first day, thanks to Saeed Anwar’s 182 in the second innings. This match also gave birth to a new star, fast and controversial Shaoib Akhtar who showed both those aspects of his game through his two dismissals of Sachin Tendulkar.
Obviously I can’t forget that special match against Australia in 2001. Some very special memories are attached to that match. Let me recollect a day by day account:
Day 1: Australia came to India with 15 consecutive wins in their bag. They thrashed India by 10 wickets in the first test in Mumbai and in that process got their 16th consecutive win. In the second test, they were around 150/1 when I left for my Stats tuition. In those days of no cell phone, there was no way to follow the score and even KC (one of the greats in the field of Statistics) was also not so keen to check the scores. After I returned around two and half hours later I came to know that Australia was 7 down with Harbhajan Singh taking the first hat-trick for an Indian bowler.
Day 2: Despite that heroics from Harbhajan, Australia ended with 445, thanks to a typical gritty century by great Steve Waugh with able support from Jason Gillespie. But I still think one of them was caught behind earlier which was not given. Indian batting collapsed again. At the end of day 2 they were 128/8, trailing Australia by 317 runs, follow-on was on the cards. Although VVS Laxman was unbeaten on 28 but I remember there was a news article on next morning’s ABP, which said, India is going for wholesome change after their loss in this test match and one of the person who is going to get dropped would be VVS!
Day 3: India finished at 171 thanks to 59 from Laxman. Steve obviously put them to follow on (A trend which would become rarer and almost extinct after this match). Tendulkar failed again. Captain Ganguly scored 48, post which he lost his concentration apparently due to some sledge from McGrath regarding his wife and lost his wicket. VVS reached hundred which at that point I thought would give him license for another five tests. When the umpires called time India were 254/4, VVS and Dravid were batting. Still the deficit was 20 runs with two more days to go.
Day 4: 90 overs, 335 runs, zero wickets. Do I need to say more? I still thank myself to take that splendid decision of bunking school because of my trust on the Indian team which did let me down in many past incidents but not that time. I can still see, VVS Laxman, stepping out just outside leg stump and cover driving Shane Warne time and time again. My respect for Sunny G increased, as he was as enthusiastic as a kid for Laxman to overcome his 236, which at that time was highest by an Indian in single test Innings. India was leading by 315 runs at stumps on day four.
Day 5: The day started with a host of debates. Should Ganguly declare overnight and give his bowlers the maximum possible overs or should he add some more run to ensure that Aussies can’t chase it down, the flaw in this plan was that at the end of the day you could face a scenario where Australia were 7 or 8 down and match got over.
Ganguly went for the second option and let his team bat for another 13 overs to add another 68 runs. He had confidence on his bowlers and I remember him saying after the match that, his thinking was that if his bowlers couldn’t get those 10 wickets in 77 overs then they would not get it in 90 overs either.
Australia started slowly, reached 24 without loss in 12 overs at lunch. Between lunch and tea, they added 139 more with loss of 3 wickets. Ganguly dropped a tough one at leg gully and it looked like the match was going for a draw.
The magic started 14 balls after the lunch. One of the greatest fighters in cricket history, Steve Waugh was gone. Ponting went in the same over. Gilchrist goes for a pair in the next over. Suddenly Sachin Tendulkar decided to become the greatest leg spinner in cricket to give some complex to certain Shane Warne whom he got with a googly. He also got Hayden and let Harbhajan got the other lesser mortals to finish with 12 wickets in the match. Kasprowicz and McGrath survived 53 balls before umpire SK Bansal got fed up with McGrath’s pad play and gave him out.
India won by 171 runs, pandemonium took place in Eden Gardens, one policeman jumped in joy along with 100 thousand more and Tony Graig captured that moment in his incomparable commentary. My consecutive bunking got justified.
There were some more matches from 2001 to 2005, especially one against West Indies where SRT finally got his first Test hundred in this special ground.
And then I started going to Eden Gardens to enjoy it live, in front of my eyes. I will get back into this after another small childhood memory.
Around 1993, I visited our ancestral home in Munger. One thing about my relatives from my father’s side is that, almost all of them are keen on reading and hence in most of the time you would find a library in their house. Same was the case there and my father suggested me a few books and let me carry a few of those books home. Two of those books were called ‘Cricket Omnibus vol-1 & 2’ by Shankari Prasad Bose.
These two books were collections of some of his books on cricket written in 60’s with some very romantic names (‘Eden-e Shiter Dupur’, ‘Romoniyo Cricket’ and ‘Laal Ball Larwood’ to mention a few). Those books gave his account of following a few matches in Eden gardens during that time period. Those old wooden stands in Eden Gardens, Bugle after every good shot, the wind from the Ganges, he did create the magic for a 10-11 year old me. I still remember his version of India’s first test win in Eden in 1962 against England, His bias towards Chandu Borde, His pun of Nadkarni (Nad Kori ni) and his frustration to see Vijay Manjarekar scoring 4 runs in an hour ( ‘15 minutes for each run!’).
Those books also covered historical times of W.G. Grace and cricket in England as well as a detailed account of the famous bodyline series. But I later found most of those were word by word copy of the Great Nevil Cardus but still Shankaribabu was successful to build the base of this young boy’s fascination regarding cricket statistics and history which finally reached its peak when I met www.cricinfo.com. So, whenever I think of Eden gardens these books also come to my mind.
Generally I do not go to Eden Gardens with a group. I go there alone, to feel the vastness of the ground, to absorb the enthusiasm of the crowd, to enjoy some special performance by players, to make sure that there is no way I miss any beautiful moment of the game.
I am not a regular visitor to Eden Gardens. I have been to Eden not even 10 times. That includes 3 times to watch a test match (two against Pakistan, one against South Africa), 4 IPL matches (2 against RCB, 1 each against CSK and DC), 1 domestic one day match between Bengal and Orissa. I also went to Eden as the part of U-13 team of our local club in 1995 but could not get a chance to play.
But even in my short visits I have seen some wonderful matches and awesome performances. I remember the brilliance of Chris Gayle when he hit 7 towering (and I mean it) sixes to score 102 of 55 balls in my last visit to Eden. KKR lost but on that day, against that in-from Chris, for any team the result would have been same.
I remember Harbhajan taking 7 wickets in the second innings to give India a win against South Africa in 2005. This is somehow a very low profile performance and according to me this should have got more respect than it received. I realized why Bhajji was an instant hit with the crowd as he was regularly chatting with them, was taking off his hat at their claps and even did some bhangra when Africans were nine down.
I have also seen Rahul Dravid at his technical best scoring a hundred with Dinesh Karthik as company, who was unlucky to be dismissed for 93.
But all these memories were nothing compared to what I experienced on 1st December 2007.
The second test match between India and Pakistan was started on 30th November. India was already 1-0 up in the series thanks to their win in Delhi, where Misbah-ul-Haq did this.
At the end of first day, Indians were 352/3, pretty comfortable position with Wasim Jaffar batting on 192 and Home boy Ganguly on 17. Till then Ganguly had only one fifty in Eden Gardens. 65 in a test match in 1998 against Australia where India’s batting card looked like this:
VVS 95, Sidhu 97, Dravid 86, Tendulkar 79, Azhar 163*, Ganguly 65, Mongia 30* and 18 extras with the team total 633/5 decl.
No wonder, India won by innings and 219 runs.
But in general, Sourav was not very successful in Eden. It looked like he used to get tensed, could not convert his starts and got out after scoring 20 odd. Even his previous two test innings in this ground were 12 runs each. He was almost reaching the end of his career and with the rotation system for test grounds by BCCI he would not get many more chances to fulfill his long cherished dream of scoring a hundred in his home ground. And yes, it goes without saying that my dream was to see him score that century.
I reached there nervously at around 8.45 in the morning. I was in H block, which was near long on if you bat right handed from Club House end. India started briskly. Jaffar got those two boundaries required to reach his 200 in the second over of the day and then suddenly he got out to Tanvir. VVS Laxman joined Sourav.
I was sitting with a mixed crowd. Just beside me there was a man in mid forty with his son who was around 9-10 years old. There was also a group of people in late twenties-early thirties who were those typical ‘Parar Dada’ types, who kept shouting at almost everything. And yes there was fair share of fairer sex in our stand to keep the crowd excited in case of some dull moments in the game.
Both Ganguly and Laxman batted in a pretty relaxed way for next forty minutes. Suddenly in one Sohail Tanvir over they gone crazy and shared 4 fours between tham. The thing with VVS Laxman is that whoever his partner may be, let it be a rampaging Sachin, Sehwag or Sourav if VVS is in form then you can not ignore him. He is one batsman in my cricket life time who literally paints picture or pens poetry through his shots and that day he was sublime.
In lunch India was 449 for 4 with Sourav notout on 62. By that time, the murmurs were started, “This time… Dada is looking solid… it will happen…Dada can do it…”, the chants of “Dada- dada” was ever increasing. I realized that I have another 90K people with me, who could not have a proper lunch due to the nervous energy inside them anticipating something special may finally going to happen in front of their eyes.
Around 10 minutes after the resumption the small amount of lunch from those people were almost puked out when Ganguly fended an Akhtar bouncer but Yasir Hamid could not hold into the tough chance, the ball went to the boundary and Dada reached his highest score in Eden Gardens.
Ganguly kept grinding through singles with a couple of boundaries of Kaneria in between. As he reached 80’s I realized that crowd was getting tensed. There was silence after every dot ball and huge cheer even after every single by Ganguly. A boundary each of Sami and Butt took him to 98 and then he was ready to face Danish Kaneria, batting at Club House end.
The crowd was scared. They were not ready to take the pain if he would get out at that point. For last twenty odd minutes I was silent. I kept praying to my god and clapped sometime for his boundaries. Ganguly got his 99th run. I do not remember how. I was just too tensed, waiting for that moment. Laxman gave him the strike back with a single couple of balls later and Sourav Ganguly took stance.
How many balls is he going to take? Is he going to play couple of maiden overs now? The ground was electrifying, people were tensed. Everyone got numb.
Kaneria started his run up, it’s too short to give people some time, I can still see that ball, it was on the off stump, Ganguly leaned forward, drove it in the mid off, he is running, running as if his whole life depends on it. He has reached the other end. He did it, he kept running towards us and then he jumped in the air. He celebrated his century with his supporters, the most loyal group of supporters for a sportsperson in the world. His tears were shared by them and then he shared his joy with them.
The entire crowd got crazy. Each and everyone was standing on their seat, jumping, shouting, clapping, dancing and waving their shirts. And then I found my self crying. Uncontrollable tears were rolling down my cheeks. I realized that small kid was looking at me; he was surprised to see me crying. I did not care. I clapped so hard my palms became red. I did not care. I still wonder if anything at all could have any impact on me at that point of time. I sent an SMS to my then girlfriend, “I have seen him scoring a century for me in front of my eyes!’
I am sure Ganguly was also exhausted after fulfilling his dream. He got out after another five minutes trying to put Salman Butt out of the ground. He left the ground content, with a standing ovation from 90,000 people after an extraordinary knock.
Laxman kept hitting those beautiful cover drives and mesmerizing flicks to reach his hundred soon afterwards and a younger maverick MS Dhoni scored a 50 to take India 600 plus. But I was not following those events much. Old memories were rushing through my mind. That day in 1991 when my dad woke me up at 5 o’ clock to let me watch “a Bengali lad playing for India”, I was sleepy and went back to sleep as soon as he got out for 3. I remembered Those days in 1997, when I used to woke up at 6 o’ clock to catch the 6.30 news in radio and TV to get the result of Sahara cup matches, where SG made it a habit of wining the man of the Match award match after match, his six hitting against left arm spinners, especially Nicky Boje, his captaincy, his shirt waving antics in Lords after India’s Natwest win.
I remembered those times when I got into nasty fights with a pan-Indian population in Orkut and in the canteens of IITK, explaining time and time again how Sourav Ganguly was a much better player than Venugopal Rao. That Pepsi ad came to mind, “main hnu Sourav Ganguly, bhule to nehi?
India declared after scoring 616 and then Pakistan reached 50 at stumps losing one wicket. But all those details become insignificant for a huge chunk of crowd including me who left the ground very happy and proud to see their prince achieve his dream.
I am sure I will again go to Eden Gardens in future. But I am sure I will never get the same feeling which I felt at the end of that day. Unless something as big as winning a world cup happens in front of my eyes.
Couple of notes:
  • Although I do remember lots of details regarding old cricket match scores but I do not possess a photographic memory and hence I am grateful to this amazing website to help me with the details. I have also relived some of those moments thanks to another brilliant website.
  • Initially my plan was only to write about my feelings on that day of December when SG got his only 100 in Eden Gardens in front of me, but as I started writing this piece I realized how much I cherish those 5 days of March 2001 and could not stop myself from penning down a day by day account. I know people do not need so much detail but personally I felt good while writing them.
"It’s always very easy to give up. All you have to say is ‘I quit’ and that’s all there is to it. The hard part is to carry on”