Saturday, October 31, 2015

I am genuinely curious

Inspired By - you-know-who!

What do Politicians do? I am genuinely curious. Call Press Conference. Speak random trash. Get trolled. Ok work done for the day.

What does Arnab Goswami do? I am genuinely curious. Organize talk show. Shout at people. Then shout more. Ok work done for the day.

What do Wives do? I am genuinely curious. Shout at husband in the day. Then shout in the evening. Then in night. Ok work done for the day.

What do Bengali TV Serials do? I am genuinely curious. Random drama. Then absurd drama. Then tear drops. Ok work done for the day.

What does Chetan Bhagat do? I am genuinely curious. Tacky books happened. Then tackier film scripts happened. Then tackiest tweets. Ok work done for the day.

From my friend Kanad Basu,

What does Jose Mourinho do? I am genuinely curious. Lose a match. Blame the referee. Get sent to the stands. Ok work done for the day.

Wednesday, September 30, 2015

পুজো আসছে – ৪

শাড়ি

একটি পাড়াতুতো কথোপকথন।

-      এবার পুজোয় কটা শাড়ি হল মিসেস বোস?
-      বেশি হয়নি মিসেস সরকার। এই তো কয়েকটা কোটা, তাঁত, চারটে সিল্ক, একটা জামদানী, একটা বোমকাই... ওয়াইন কালারের...
-      বাহ্‌... বেশ অনেকগুলো। 
-      হ্যাঁ। ওহ্‌ বলা হয়নি, একটা কাঁথা স্টিচও কিনেছি।
-      চমৎকার।
-      তার সঙ্গে তো বুঝতেই পারছেন আত্মীয়-স্বজন, আমার দিদি-বউদি... পাশের মন্দির... 
-      আপনি বাড়ির পাশের মন্দিরে শাড়ি দান করেন বুঝি?
-      আরে মায়ের পুজোতে দিতে হবে না?
-      কিন্তু সেটাতো পুরুত ঠাকুর নিয়ে যাবেন... বোধহয় বেচে দেবেন।
-      সে যাকগে... আমার তো মাকে পুজো দেওয়া নিয়ে কথা... ওসব কথা ছাড়ুন... আপনার এবার কটা শাড়ি হল?
-      ঐ, আপনার মতই, চার-পাঁচটা। সঙ্গে আত্মীয়দের জন্য তো আছেই। আর ঐ গণেশের মার জন্য একটা শাড়ি।
-      বাব্বা! এই তো আমায় দূর্গাপুজোতে শাড়ি দেওয়া নিয়ে জ্ঞান দিলেন!
-      ইয়ে... গণেশের মা হল এই আমার-আপনার বাড়িতে যে লোকটা পুজোর আগে ক্যানিং থেকে বাগান পরিষ্কার করতে আসে তার বউ!

Friday, September 18, 2015

পুজো আসছে – ৩

পূজাবার্ষিকী

সকাল থেকে অবিশ্রান্ত বৃষ্টি হয়ে চলেছে। কিন্তু তার মধ্যেই রোজকার মত তৈরি হয়ে ছাতা মাথায় অফিসের জন্য বেরিয়ে পড়তে হয়েছেমাসের শুরু, এখন কামাই করার উপায় নেই। প্রচুর কাজ জমে থাকে এই সময়।
বৃষ্টিতে আধভেজা হয়ে বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছে দেখি বেশী লোকজন নেই। গাড়ি-ঘোড়াও বিশেষ চলছে না। এমনকি বৃষ্টির চোটে রোজকার ফুলওয়ালা আর ম্যাগাজিনের দোকানদার পর্যন্ত আজ বসেননি। মনে পড়ল, এই ম্যাগাজিনওয়ালা কদিন আগে জোর করে আমাকে এ বছরের পূজাবার্ষিকীটা গচিয়ে দিয়েছেন। জুলাই মাসে প্রকাশিত পূজাবার্ষিকী! ভাবা যায়!
হঠাৎ দেখি পাশে একটা ছেলে। টিংটিঙে রোগা আর লম্বা। খোঁচাখোঁচা চুল, বয়স এই এগারো-বারো হবেপরণে স্কুল ইউনিফর্ম। সাদা জামা আর খাকী প্যান্ট, পিঠে বইয়ের ব্যাগ। বাব্বা, এই বৃষ্টির মধ্যেও স্কুলে যাচ্ছে! হঠাৎ শুনি ছেলেটা নিজের মনেই কীসব বলছে আর ফিকফিক করে হাসছে। ভালো করে কান পেতে শুনলাম, ছেলেটা গাইছে,
মাথার ঊর্দ্ধে আছে মাদল
নিম্নে উতলা পদযুগল
গড়গড়িয়ে চলিছে বল।
চল চল চল।।
তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বলল,
-      এটা পড়েছ?
-      এটা তো তুলসী! সেই বলরাম গড়গড়ি।
-      কী ভালো না?
-      দুর্দান্ত!
-      অবশ্য আগের বারের পুজোবার্ষিকীর সবকটা উপন্যাসই ভীষণ ভালো ছিল! ‘কাকাবাবু বনাম চোরাশিকারি’, ‘কুঞ্জপুকুরের কাণ্ড’, ‘রাবণবধ’ আর ‘গৌর-নিতাই’টা পড়েছিলে তো? ওটা কিন্তু দারুণ!
-      কী আবোল তাবোল বকছ! এগুলো তো অনেক বছর আগে বেড়িয়েছিল। গতবারে তো সেই এক মিতিনমাসী, দীপকাকু আর ভেলকুনমামা
-      ইস্‌... কী বিচ্ছিরি সব নাম! ওসব আমি পড়ি না! এবারও সব ভালো ভালো উপন্যাস বেরোবে। আমি বিজ্ঞাপন দেখেছি। ‘পাতালঘর’, ‘মিনু চিনুর ট্রফি’... আরো কত্ত।
-      কিন্তু এ বছরের পূজাবার্ষিকী তো বেরিয়ে গেছে...

বলতে বলতে একটা বাস আসছে দেখে চট করে ছাতাটা বন্ধ করে সেটায় উঠে পড়লাম। ছেলেটা কিন্তু উঠল না। একটু পরে বৃষ্টির তোড়ে ওকে আর দেখতে পেলাম না। তারপর চিনতে পারলাম ওকে।

ওই ছেলেটা কুড়ি বছর আগের আমি!
---------------------

Tuesday, September 15, 2015

পুজো আসছে - ২

পুজো আসছে - ১

পুজোর ট্যাগ লাইন

পুজোর ছ মাস আগে থেকেই বিভিন্ন পুজো কমিটির পোস্টার-ব্যানারে রাস্তাঘাট ছয়লাপ। নাকতলা থেকে আহারিটোলা, দেশপ্রিয় পার্ক থেকে মহম্মদ আলি পার্ক, কেউ বাদ নেই। আর সেই সব পোস্টার-ব্যানার উজ্জ্বল করে আছে, বিভিন্ন পুজোর ট্যাগ লাইন। কেউ বলছে তাদের পুজোর থিমের কথা, কেউ আওয়াজ দিচ্ছে বাকিদের! 
আগামী বছরের দূর্গা পুজোর জন্য রইল কিছু নতুন ধরনের ট্যাগ লাইন আর তাদের অন্তর্নিহীত তাৎপর্য!

(এই অ্যালবামের কিছু ছবি নিজস্ব সংগ্রহ থেকে নেওয়া আর কিছু ছবির উৎস ইন্টারনেট)








Saturday, September 12, 2015

পুজো আসছে - ১

ক্যালেন্ডার

-      মা এ বছরের নতুন ক্যালেন্ডার এসেছে?
-      হ্যাঁ। ওই তো তোর বাবা কাল অফিস থেকে এনে বাইরের ঘরের কর্নার টেবিলের ওপর রেখেছে?
-      আরে দূর! ওটা তো ডেট ক্যালেন্ডার!
-      তো? তুই তো ডেটই দেখবি, নাকি?
-      আরে বাবা, আমার বাংলা তারিখ দেওয়া ক্যালেন্ডার চাই। তোমার মুদির দোকান... কী নাম... অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রতি বছর দেয় না! সেটা চাই।
-      বাংলা তারিখ দিয়ে আবার তোর কী কাজ? এটা বাংলার কোন মাস বল আগে!
-      জানি না। ভুলে গেছি! কিন্তু দুর্গা পুজোটা কবে পড়েছে, সেটা দেখতে হবে তো! 

Saturday, September 5, 2015

হ্যাপি টিচার্স ডে

-      তাই বলে আপনি শিক্ষক দিবসে আপনার কৃতজ্ঞতা জানাতে এক কৌটো মকাইবাড়ির চা নিয়ে এসে হাজির হবেন!
-      আরে মশাই... আপনার কাছ থেকে কি আজ থেকে শিখছি! সেই উটের পাকস্থলী দিয়ে শুরু! ঠিক কিনা?
-      হ্যাঁ সেটা ঠিক...
-      তারপর থেকে তো পদে পদে আপনার কাছ থেকে শিখেই চলেছি। উটে কী করে চড়তে হয়, বুমের‍্যাং কী করে কাজ করে, টোয়েন্টি নাইন কী করে খেলতে হয়... এসব ভুললে চলবে কেন?
-      আপনার মত সঙ্গী পাওয়া সত্যিই কঠিন লালমোহনবাবু!
-      তারপর ধরুন বোম্বাইয়ের বোম্বেটে... থুড়ি জেট বাহাদুর! সেটায় আপনার অবদান আমি কী করে ভুলি ফেলুবাবু?
-      আপনার কলমের জোর না থাকলে কী আর এসব হত...
-      সব চেয়ে বড় কথা, আপনাদের সঙ্গে থেকে আর এত জায়গায় ঘুরে আমার মনের যে প্রসার ঘটেছে সেটা কী কিছুই নয়?
-      একদম ঠিক বলেছেন মিস্টার জটায়ু। কিন্তু আজকের দিনে আপনার জন্যেও যে আমার কাছে একটা উপহার আছে।
-      আমার জন্য? উপহার? বলেন কী মশাই?
-      আলবাৎ! আপনি কী ভাবছেন? আপনার থেকে কিছু শিখতে পারিনি আমি? আপনার মত নিঃস্বার্থভাবে বন্ধুদের জন্য বিপদের মুখে ঝাঁপিয়ে পড়তে কজন পারে মশাই? আপনার মত ফুর্তিবাজ কজন হতে পারে? কে বলেছে আপনার সহজ সরল জীবন থেকে কিছু শেখার নেই?
-      এবার আমার লজ্জা করছে ফেলুবাবু!
-      লজ্জা পাবেন না। বরং এটা নিন। আমার পয়েন্ট থ্রি টু কোল্ট রিভলবারটা। আপনার অস্ত্রের সংগ্রহে এটা জায়গা পাক।
-      বলছেন কী!
-      হ্যাঁ... আজকাল যা সব দেখছি তাতে এসব আর আমার দরকার নেই।

Thursday, August 27, 2015

বাংলা মেগা সিরিয়াল - আরো কিছু কথা

বাংলা মেগা সিরিয়ালের উপকারিতা নিয়ে কমাস আগে একটা পোস্ট করেছিলাম। এটা তারই দ্বিতীয় পর্ব। আর এর অনেকটাই উঠে এসেছে ফেসবুকের 'বাংলা আড্ডা/কুইজ' গ্রুপের আড্ডা থেকে। তাই এই লেখার জন্য ঐ গ্রুপের বন্ধুদের একটা মস্ত বড় ধন্যবাদ প্রাপ্য
আগের লেখায় এই সময়কার বাংলা মেগা সিরিয়ালগুলোর যে সব বৈশিষ্ট উল্লেখ করেছিলাম সেগুলোর মত এই লেখাও পুরোটাই আমার ব্যক্তিগত মতামত। কেউ একমত না হলে দয়া করে রেগে যাবেন না। বরং কমেন্টে লিখবেন, খুশী হব।

(সূত্রঃ ঈন্টারনেট)
লক্ষ্য করেছি যে, বাংলা সিনেমার প্রাক্তন নায়ক নায়িকাদের জন্য এই সিরিয়ালগুলোর চেয়ে উপকারী আর কিছু হয় না। তাঁদের অনেকের ক্ষেত্রেই এই বাংলা সিরিয়ালগুলোই তাঁদের ব্যস্ত থাকার একমাত্র উপায়। বাংলা সিনেমার স্বর্ণযুগের সেইসব দিকপাল অভিনেতা-অভিনেত্রীরা এই সব সিরিয়ালে অপ্রয়োজনীয় দাদু-দিদা বা বাড়ির গৃহকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। যদিও এঁদের চরিত্রগুলোর আদৌ কোন প্রয়োজন আছে কিনা সেটাই দর্শকের পক্ষে বুঝে ওঠা চাপ। যা করার তা তো নায়িকা আর খলনায়িকারাই করেন তবু বোঝানো হয় যে সংসারে এঁদের নাকি প্রচণ্ড দাপট। নানা রকম বোকা বোকা সিদ্ধান্ত এরা মাঝে মধ্যে নিয়ে থাকেন সেটা সত্যি কথা। যেমন নায়িকার তৃতীয় বিয়ের সময় তার প্রথম বরের বাবা ঘোষণা করেন যে, সেই বিয়ে তাঁদের বাড়ি থেকে হবে! কেন হবে? ওনার কীসের ইন্টারেস্ট? বাকিরা আপত্তি তুলছে না কেন? এইসব প্রশ্নের উত্তর চাইলে সিরিয়ালের পরিচালক বা আপনার বাড়ির যারা নিয়মিত ঐ সিরিয়ালের দর্শক তাঁরা নির্ঘাত আপনাকে কান ধরে ঘরের বাইরে নিল ডাউন করিয়ে দেবেন।
এ ব্যাপারে সন্তু বাবু আর সাবিত্রী দেবীর অভিজ্ঞতাই সবচেয়ে বেশী। তার মধ্যে হঠাৎ একটি সিরিয়ালের লেখক/লেখিকারা বোধ হয় নায়ক-নায়িকাদের এতগুলো করে বিয়ে দিয়েও নিজের প্রতিভার প্রতি সুবিচার করে উঠতে পারছিলেন না। তাই গল্পের স্রোতে ভাসতে ভাসতে সাবিত্রী দেবীর চরিত্রটির চল্লিশ বছর আগে বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়া বর আবার গল্পে ফিরে এলেন। শুধু তাই নয়, তাঁদের আবার মালা বদল করে বিয়েও হল!
সবচেয়ে দুঃখের কথা, সাবিত্রী দেবীর স্বামীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে প্রথমবার বাংলা মেগা সিরিয়ালের জগতে পা দিলেন সৌমিত্র চ্যাটার্জী! সিরিয়ালের টি আর পি যে বাড়ল তাতে সন্দেহ নেই কিন্তু আমার মত সৌমিত্র ভক্তরা আঁতকে উঠে চোখে-কানে গঙ্গাজল দিলাম! ভদ্রলোক যখন সিমেন্ট, ব্যাথার ওষুধ এমনকি হনুমান চল্লিশা মহা যন্ত্রেরও বিজ্ঞাপন করেছিলেন তখন বাঙ্গালী সেই পঞ্চাশ-ষাট দশকের রোমান্টিকতা থেকে সেটাকে খুব একটা পাত্তা দেয়নি। কিন্তু তাই বলে মেগা সিরিয়াল! ঠিক হজম হল না সৌমিত্রবাবু, ক্ষমা করবেন।

বাংলা সিরিয়ালের নায়ক-নায়িকাদের ছদ্মবেশ নেওয়ার ক্ষমতা হলিউডের বাঘা বাঘা মেক-আপ আর্টিস্টকেও হার মানাবে! তারা যত ছাপোষাই হোক না কেন বিপদে পড়লেই ছদ্মবেশের আশ্রয় নেয়। আর শুধু তাই নয়, ছদ্মবেশ যেমনই হোক, হালকা কিম্বা ভারী, সিরিয়ালের আর অন্য কোন চরিত্ররা কোনদিনই তাদের চিনে উঠতে পারে না! একটা গোঁফ লাগালেই (নায়িকাদের কথা বলছি না) বা কপালে একটা টিপ আর দু-চারটে চন্দনের ফোঁটা লাগালেই (নায়িকাদের কথাই বলছি) তাদের আর কেউ চিনতে পারে না!

এই প্রসঙ্গে একটা পুরনো গল্প মনে পড়ে গেল। আদিত্য চোপড়া মহাশয়ের ক্লাসিক সিনেমা ‘রব্‌ নে বানা দি জোড়ি’ সময়ের ঘটনা। কোন এক শুক্রবার আমার অফিসের তদানিন্তন টিম ডিরেক্টর বাকিদের সঙ্গে খেজুরে করছিলেন। আমায় জিজ্ঞেস করলেন,“লাস্ট উইকেন্ডে কী করলে?”
তাঁকে জানালুম যে, উপরে উল্লেখিত সিনেমাটা দেখেছি। উনি উৎসাহিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “কেমন হয়েছে? রোমান্টিক সিনেমা?”
“না তো... আমার মনে হল হরর্‌ সিনেমা।”
“হরর্‌ সিনেমা! কেন?”
“আপনিই বলুন, আমি আমার চশমাটা খুলে ফেললে আর চুলটা খোঁচাখোঁচা করে আঁচড়ালেই আমার গার্ল ফ্রেন্ড আর আমাকে চিনতে পারবে না! এটা হরর্‌ সিনেমা নয়?”
ভদ্রলোক আমাকে আর ঘাঁটাননি তারপর।

ও, বাংলা সিরিয়ালের কূট-কাচালি নিয়ে তো আগেই বলেছি, আজকাল আবার দেখছি বিষের ব্যবহার খুব বেড়ে গেছে। যে পারছে যখন তখন অন্যের পায়েসে (হ্যাঁ পায়েসেই শুধু... কেন জানি না!) বিষ মিশিয়ে দিচ্ছে। আর কে না জানে প্রখর রুদ্র, জেমস বন্ড ও বাংলা সিরিয়ালের নায়িকাদের কেউ কখনো মেরে ফেলতে পারে না। তাই হয়ে বিষ মেশানো বাটি বদলে যাচ্ছে নয় গল্পের খলনায়কের হৃদয় পরিবর্তনের ফলে সে ঐ বিষ মেশানো পায়েস খলনায়িকাকেই খাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

তবে একটি সাম্প্রতিক সিরিয়াল একঘেয়েমির দিক দিয়ে সবাইকে হার মানিয়েছে। নিজের ইচ্ছে না হলেও ওটি আমাকে দেখতে হয় এবং দেখতে দেখতে আমার ইচ্ছে করে গল্পের লেখক বা লেখিকাকে ধরে ঠ্যাঙ্গাতে (যেমন অজিত বিওমকেশের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল সেরকমভাবে)।
(সূত্রঃ ইন্টারনেট)
এই গল্পের দুই নায়িকা-এক নায়ক। দুই নায়িকা আবার বোন... সহোদরা না সৎ জানি না, জিজ্ঞেস করে লজ্জা দেবেন না। যা বুঝেছি, নায়কের বাড়ির লোকের ইচ্ছে বড় বোনের সঙ্গে নায়কের বিয়ে ঠিক করেছে, কিন্তু নায়ক আর ছোট বোন প্রেম করছে (ইচ্ছে করেই...)। বড় বোন সেই ব্যাপারে বেশ ক্রুদ্ধ। তাই সেও নায়কের সঙ্গে প্রেম করার চেষ্টা করছে। নায়িকাদের বাড়ির লোক বোধহয় এই কনফ্লিক্টের কথা জানে কিন্তু তাঁদের সেটা নায়কের বাড়ির লোককে সেটা জানানোর ইচ্ছে হয়নি (এরকম তো কতই হয়!)। ফলে নায়কের বাড়ির লোক বড় বোনকেই ভাবী বউমা ভেবে ন্যাকামি করে যাচ্ছে। এদিকে নায়ক-নায়িকা এবং বড় বোন ব্যাপারটা কাউকে বলছেও না, কেন বলছে না সেটা ভগবানবাবুও জানেন বলে মনে হয় না, সুতরাং তিনজনেই ইচ্ছে করে সারাক্ষণ মুখ ব্যাজার করে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

এবার বলুন, বড়মন্ত্রীর রাজকন্যার গুলিসুতো খেয়ে ফেলাটা কি এর চেয়েও জটিল?
"It’s always very easy to give up. All you have to say is ‘I quit’ and that’s all there is to it. The hard part is to carry on”